আজকাল ছোট ভিডিও বানিয়ে আয় করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই প্ল্যাটফর্ম হল ইউটিউব শর্টস এবং ইনস্টাগ্রাম রিলস। কিন্তু কোথায় বেশি টাকা পাওয়া যায়, এই প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়। সেক্ষেত্রে বিষয়টা একটু হিসাব করে বোঝা দরকার।
2
10
ইউটিউব এখন শর্ট ভিডিওতেও বিজ্ঞাপন দেখায় এবং সেই আয় থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একটি অংশ দেয়। সাধারণভাবে ১০ লাখ ভিউ হলে প্রায় ৮০০ থেকে ৪০০০ টাকার মতো আয় হতে পারে।
3
10
যদিও এই টাকা নির্দিষ্ট নয়। দর্শক কোন দেশের, ভিডিওর বিষয় কী-এসবের উপর আয় কমবেশি হয়। বড় সুবিধা হল, এখানে নিয়মিত ভিডিও করলে ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী আয় তৈরি হতে পারে।
4
10
ইনস্টাগ্রাম রিলসে সরাসরি ভিডিওর ভিউ থেকে টাকা পাওয়া যায় না বা খুব কম ক্ষেত্রে পাওয়া যায়। ইনস্টাগ্রামের মালিক মেটা মাঝে মাঝে বোনাস দেয়, কিন্তু তা সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জন্য নয়।
5
10
রিলসে আসল আয় হয় ব্র্যান্ড ডিল, স্পনসরশিপ এবং প্রোমোশন থেকে। যদি আপনার ফলোয়ার বেশি থাকে, তাহলে একটি ভিডিও থেকেই কয়েক হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।
6
10
তাহলে পার্থক্যটা ঠিক কোথায়? আসলে ইউটিউব শর্টস কম হলেও নিশ্চিত টাকা পাওয়া যায় অর্থাৎ ভিউ থেকে আয়ের সুযোগ রয়েছে।
7
10
অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রাম রিলস অনিশ্চিত, কিন্তু বেশি টাকা পাওয়ার সুযোগ মূলত ব্র্যান্ড ডিল থেকে আয় হয়।
8
10
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ইউটিউবে ভিডিও অনেকদিন ধরে ভিউ পায়। তাই পুরনো ভিডিও থেকেও আয় হয়। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে বেশিরভাগ রিলস ২–৩ দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনপ্রিয়তা হারায়, ফলে আয়ও কমে যায়।
9
10
তাই আপনি যদি নতুন শুরু করেন, তাহলে ইউটিউব শর্টস ভাল। কারণ এখানে ধীরে ধীরে নিয়মিত আয় তৈরি করা যায়। আর যদি আপনার আগে থেকেই ভাল ফলোয়ার থাকে, তাহলে ইনস্টাগ্রাম রিলস থেকে বেশি টাকা রোজগার করা সম্ভব।
10
10
সব মিলিয়ে বলা যায়, 'কোথায় বেশি আয়' এটা নির্ভর করে আপনার কনটেন্ট আর ফলোয়ারের উপর। সঠিকভাবে কাজ করলে দুই জায়গা থেকেই ভাল আয় করা সম্ভব।