দাদুকে জেলে পাঠানোর জন্য কম্পাসের উপর চটে যায় মোনালিসা। আসলে রাসায়নিক গ্যাস বেরোতে থাকে মোনালিসার দাদুর কোম্পানি থেকে। যার ফলে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বেআইনিভাবে সেই কোম্পানি চালায় সে। তাই খবর পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় কম্পাস। মোনালিসার দাদুকে জেলে পাঠানো হয়। এদিকে, কম্পাস তাও মনে মনে বিপদের আঁচ পায়।
সম্প্রতি, সামনে এসেছে এই ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মোনালিসা কম্পাসকে একটা এক্সপেরিমেন্টের কথা বলছে। বিজ্ঞানের নতুন দিক আবিষ্কার করতে চায় মোনালিসা। আর তার জন্য কম্পাসকে তার গবেষণায় লাগবে বলে জানায়। কম্পাস শুরুতে রাজি না হলেও পরে সে জানায় এই গবেষণায় সে রাজি।
এদিকে, মোনালিসা ভাবে দাদুকে যখন কম্পাস জেলে পাঠিয়েছে তখন সে তার উপর প্রতিশোধ নেবেই। এদিকে, মোনালিসার ভুল গবেষণার ফলে কম্পাসের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হয়। নাক থেকে রক্ত ঝরতে থাকে তার। কম্পাসের এই খবর পেয়ে বিহান ছুটে যায় তার কাছে। কিন্তু কম্পাসকে কি মোনালিসার হাত থেকে বাঁচাতে পারবে বিহান? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তর মিলবে 'কম্পাস'-এর নতুন পর্বে।
কিছুদিন আগে কলেজে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করে বিহানরা। দেবীমূর্তি নিজের হাতে তৈরি করার দায়িত্ব নেয় কম্পাস। আধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি হলেও দেবীর হাতে বীণা ও বই সবই থাকবে বলে জানায় কম্পাস। রোবোটের ধাঁচে সরস্বতী তৈরি করে কম্পাস। তার আবিষ্কার চোখের সামনে দেখবে বলে অপেক্ষায় থাকে বিহান ও ঋতজা। কলেজে এসে ঋতজা দেবীমূর্তি উদ্ধোধন করতে গিয়ে অবাক হয়ে যায়।
সে দেখে সরস্বতী মূর্তি নেই জায়গায়। কোথায় গেল? কম্পাসকে প্রশ্ন করে বিহান। কিন্তু জবাব দিতে পারে না সে। এদিকে, মুক্তি ও মোনালিসা দু'জনে দল বেঁধে চক্রান্ত করে কম্পাসের বিরুদ্ধে। কম্পাসের আবিষ্কার নষ্ট করে দেবে বলে ঠিক করে তারা। আর ঠিক সেটাই হয়। মুক্তি ও মোনার ষড়যন্ত্রের শিকার হয় কম্পাস। কিন্তু সেসব জাল কেটে বেরিয়ে আসতে পারে সে। আবারও তৈরি করে রোবোটিক সরস্বতীর মূর্তি।
কম্পাস-বিহানের মিল দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকেন দর্শক। কিন্তু বিপদে একে অপরের পাশে সব সময় থাকলেও এখনও পর্যন্ত জুটির মিল দেখানো হয়নি। গল্পে ছোট থেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার কম্পাস। তার বাবাকে এতদিন আটক করে রাখা হয়েছিল। কিছুদিন আগেই বাবার খোঁজ পেয়েছিল কম্পাস। কম্পাসের বাবার আবিষ্কারকে এতদিন চুরি করে নিজের নামে চালিয়েছে বিহারের বাবা। কম্পাস এই ষড়যন্ত্রের কথা জেনে যায়। তবে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে এখনও পর্যন্ত অপরাধীদের শাস্তি দিতে পারে না সে।
এদিকে, প্রতিদিন বিভিন্নভাবে বিপদে পড়ছে সে। কিন্তু বাবা-মায়ের আদর্শ মেয়ে হিসেবে সে হেরে যায় না। বিভিন্ন বিপদের মুখে পড়লেও বুদ্ধির জোরে ফিরে আসে সে। মোনালিসা বিহানকে ভালবাসে। তাই কম্পাসের সঙ্গে বিহানের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ফলে সে সব সময় কম্পাসের ক্ষতি চায়। এবার গল্পের মোড়ে ঠিক কী হতে চলেছে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক।
