ভূস্বর্গ কতটা ভয়ঙ্কর? হোলির সকালে টোটা রায়চৌধুরীর বার্তা বলছে, একেবারে মন্দ নয়। সমতলে যখন বসন্ত বাতাসে গ্রীষ্মের হলকা কাশ্মীর তখন -৬ ডিগ্রির নীচে! এমন তাপমাত্রায় হাড়ে হাড়ে কাঁপুনি, হাত-পা জমে যাওয়ার কথা। কিন্তু টোটার সেটা হচ্ছে না। কেন! অভিনেতার শরীরচর্চার কথা সবার জানা। সেখানেও কি ঘাম ঝরিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন? একেবারেই না। টোটা জানিয়েছেন, তাঁর ‘ফেলুদা’ অবতার তাঁকে এক মূহূর্তের জন্য শৈত্যপ্রবাহ অনুভব করতে দিচ্ছে না!
অনুরাগীরা জানেন, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী সিরিজ ‘ফেলুদা ফেরত’-এর নতুন গল্প ‘ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর’-এর শুটে ব্যস্ত। সেখানকার বর্ণনা দিয়েই মঙ্গলবার একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেতা। পুরোদস্তুর ‘ফেলুদা’ লুকে। হালকা নীলচে ব্লেজারের নীচে সাদা শার্ট। নেভি ব্লু ট্রাউজার। গলায় মাফলার। সকালের টাটকা রোদ ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাঁর উপরে। এমনই ভঙ্গিতে তিনি দাঁড়িয়ে। পিছনে হিমালয়ের চুড়ো আকাশ ছুঁয়েছে। চারপাশ সাদা বরফে মোড়া। রঙের উৎসবের থেকে মন সরিয়ে টোটা যেন গভীর সা
কী করে সবটা সম্ভব হচ্ছে? তাঁর কথা অনুযায়ী, ‘শৈত্য সুরক্ষায় জামার নীচে থার্মালস। ভেতরে ঠক্ ঠক্, কিন্তু বাইরে অবিচল। কারণ চরিত্রটা যে ফেলুদা! এই চরিত্রে যখন অভিনয় করি তখন খিদে পায় না, ঘুম পায় না, ভয় পাই না (তাৎক্ষণিক হঠকারিতাগুলোর কথা মনে পড়লে পরে অবশ্য পাই। সেগুলো কী কী, release-এর সময় বলব); একটা ঘোরের মধ্যে থাকি। মগজাস্ত্র, শরীরাস্ত্র, সততার অস্ত্র, পরিশ্রমের অস্ত্র, ভালবাসার অস্ত্র এবং ভক্তির অস্ত্র; .৩২ কোল্টের ছ"টা টোটার মতোই যেন সব ক’টা সর্বদা প্রস্তুত থাকে। যখনই দরকার পড়বে তখনই একসঙ্গে লালমোহনবাবুর কথায়, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই!’ শুট শুরু আগের মুহূর্ত থেকে অনুরাগীদের সিরিজ নিয়ে খবরাখবর দিচ্ছেন টোটা। চিত্রনাট্য হাতে পাওয়ার পরেই সেই ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন, বিস্কুট আর কফির কাপ সহযোগে।
অনুরাগীরা জানেন, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী সিরিজ ‘ফেলুদা ফেরত’-এর নতুন গল্প ‘ভূস্বর্গ ভয়ঙ্কর’-এর শুটে ব্যস্ত। সেখানকার বর্ণনা দিয়েই মঙ্গলবার একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেতা। পুরোদস্তুর ‘ফেলুদা’ লুকে। হালকা নীলচে ব্লেজারের নীচে সাদা শার্ট। নেভি ব্লু ট্রাউজার। গলায় মাফলার। সকালের টাটকা রোদ ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাঁর উপরে। এমনই ভঙ্গিতে তিনি দাঁড়িয়ে। পিছনে হিমালয়ের চুড়ো আকাশ ছুঁয়েছে। চারপাশ সাদা বরফে মোড়া। রঙের উৎসবের থেকে মন সরিয়ে টোটা যেন গভীর সা
কী করে সবটা সম্ভব হচ্ছে? তাঁর কথা অনুযায়ী, ‘শৈত্য সুরক্ষায় জামার নীচে থার্মালস। ভেতরে ঠক্ ঠক্, কিন্তু বাইরে অবিচল। কারণ চরিত্রটা যে ফেলুদা! এই চরিত্রে যখন অভিনয় করি তখন খিদে পায় না, ঘুম পায় না, ভয় পাই না (তাৎক্ষণিক হঠকারিতাগুলোর কথা মনে পড়লে পরে অবশ্য পাই। সেগুলো কী কী, release-এর সময় বলব); একটা ঘোরের মধ্যে থাকি। মগজাস্ত্র, শরীরাস্ত্র, সততার অস্ত্র, পরিশ্রমের অস্ত্র, ভালবাসার অস্ত্র এবং ভক্তির অস্ত্র; .৩২ কোল্টের ছ"টা টোটার মতোই যেন সব ক’টা সর্বদা প্রস্তুত থাকে। যখনই দরকার পড়বে তখনই একসঙ্গে লালমোহনবাবুর কথায়, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই, ঠাঁই!’ শুট শুরু আগের মুহূর্ত থেকে অনুরাগীদের সিরিজ নিয়ে খবরাখবর দিচ্ছেন টোটা। চিত্রনাট্য হাতে পাওয়ার পরেই সেই ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন, বিস্কুট আর কফির কাপ সহযোগে।
















