তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিনেতা বিজয় দেবেরেকোন্ডার বাসভবনে গিয়ে তাঁকে এবং রশ্মিকা মান্দানাকে বিবাহিত জীবনে একসঙ্গে পথচলার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷

বিজয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন৷ রেবন্ত রেড্ডির উপস্থিতি বিজয়-রশ্মিকার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সে কথাও জানিয়েছেন৷ 

বিজয় লিখেছেন, "আজ সন্ধ্যায় তেলেঙ্গানার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রেবন্ত অনুমুলাংগারু ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বার করে আমাদের বাড়িতে এসেছেন আমাদের বিয়েতে আশীর্বাদ করার জন্য, তা আমাদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে৷ তিনি সর্বদা আমাদের স্নেহ করেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।"

গত কয়েকদিন ধরে বিজয় দেবেরাকোন্ডা আর রশ্মিকা মান্দানার বিয়ে নিয়ে চলছে বিপুল চর্চা৷ ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে রাজকীয় ঐতিহ্যমণ্ডিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল বিজয়-রশ্মিকার বিবাহ-অনুষ্ঠান। ৪ মার্চ হায়দরাবাদের তাজ কৃষ্ণ বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে উদযাপন৷ 

রীতি রেওয়াজ ঐতিহ্যই প্রাধান্য পেয়েছে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের সমস্ত অনুষ্ঠানে৷ উদয়পুরে রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয়-রশ্মিকা যে ভারী ভারী টেম্পল জুয়েলারি পরেছিলেন তাই নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের আংটিও নজর কেড়েছে সকলের। বিজয় এবং রশ্মিকা একইরকম দেখতে আংটি পরেছেন অনামিকায়৷ তাদের বিয়ের আংটিতে আছে টিফানির ১৬ টি হীরে৷ সোনা আর প্ল্যাটিনামের ব্যান্ডের সঙ্গে ১৬ টি হীরে বসানো রয়েছে আংটিতে৷

বিজয়-রশ্মিকার বিয়েতে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বিয়ের কিছুদিন আগে রশ্মিকার সঙ্গে গিয়ে বিজয় মোদী আর অমিত শাহকে নিমন্ত্রণ করেন৷ বিজয় জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী আশীর্বাদ করেছেন বিজয়-রশ্মিকাকে৷ ভারতীয় সংস্কৃতি ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷ দারুণ সময় কেটেছে এবং মোদী বিজয়ের বাবা-মায়ের জন্য একটি চিঠিও দিয়েছেন৷ অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজয়-রশ্মিকাকে আশীর্বাদ করে একটি গণেশমূর্তি দিয়েছেন৷