দিতি যে আদতে রূপমঞ্জরী নয়, গোরা তাকে রূপ সাজিয়ে বাড়ি এনে রেখেছে সেটা মোটামুটি তার বাড়ির লোক এখন জেনে গিয়েছে। আর সেই কারণেই নতুন করে ঝড় উঠতে চলেছে দুইয়ের জীবনে। পড়বে কোন বিপদে? 

সদ্যই প্রকাশ্যে এসেছে 'তারে ধরি ধরি মনে করি' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে গোরার মা জেনে গিয়েছে দিতির আসল পরিচয়। আর সেটা জেনেই সে ছেলেকে এক অদ্ভুত প্রস্তাব দেয়। বলে সে কাউকে বলবে না যে গোরা দিতিকে রূপ সাজিয়ে এনে রেখেছে। তবে একটাই শর্তে। কী শর্ত? কুন্তল বা কুন্তলিনীকে বিয়ে করতে হবে গোরাকে। সে এই প্রস্তাব শুনে ছিটকে ওঠে। বলে না কখনই সে এই করবে না। 

গোরা বিয়ে করতে আপত্তি জানাতে কুন্তল গোরার হাতে ধরা সিঁদুরের কুনকে নিয়ে নিজেই সিঁদুর পরতে যায়। তখনই সিনে ঢোকে দিতি। এসে বাধা দেয়। সপাটে চড় কষায় কুন্তলের গালে। একই সঙ্গে শাশুড়ির উদ্দেশ্যে বলে বউ থাকতে তিনি কীভাবে ছেলের বিয়ে দিতে পারেন। বলে সে নিজেই গোরার হাত থেকে সিঁদুর পরে নেয়। বলাই বাহুল্য, নতুন ঝড়কে সামাল দিতে গিয়ে দিতি এবং গোরার জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল। 

https://www.instagram.com/reels/DVVmzPMAqyv/

নতুন এই প্রোমো দেখে মুগ্ধ দর্শক। এক ব্যক্তি লেখেন, 'অবশেষে দিতির আসল পরিচয় জানা গেল। আর বিয়ে হবে।' আরেকজন লেখেন, 'এবার গল্প জমবে।' তৃতীয় ব্যক্তির মতে, 'সেরা হয়েছে এই প্রোমো। এই জন্যই বলে জন্ম, মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে।' 

প্রসঙ্গত, গল্পে সদ্যই দেখানো হয়েছে, গোরার মা দিতিকে জানাচ্ছেন যে তাদের বাড়ির মেয়ে, বউরা বাড়ির বাইরে গান করে না। কিন্তু দিতিও নাছোড়। সে চায় বাইরে পারফর্ম করতে। নিজের কেরিয়ার গড়তে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে। এদিকে শাশুড়ি সেটার বিরোধী। ছেলেকে গোরার মা সাফ জানিয়ে দেয় যদি দিতি বাইরে গান গাইতে যায়, তাহলে এই বাড়িতে হয় সে থাকবে, নইলে তিনি। তখন দিতি জানায় সেই বরং এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। দিতি বাড়ি ছেড়ে বাইরে এসে বসে। খাটিয়া পেতে থাকতে শুরু করে। জানায় সে এবার থেকে এখানেই থাকবে, গান গাইবে। গোরা আপত্তি জানায়, তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু দিতি জানিয়ে দেয় তার শাশুড়ি বুনো ওল হলে, সেও বাঘা তেঁতুল। শাশুড়িকে শিক্ষা দিয়েই ছাড়বে।

এই ধারাবাহিকটির হাত 'নিম ফুলের মধু' ধারাবাহিকের পর আবারও ছোটপর্দায় ফিরলেন পল্লবী শর্মা। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। জি বাংলার পর্দায় 'তারে ধরি ধরি মনে করি' রোজ দেখা যায়। এটি প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সম্প্রচারিত হয়। এই বিশেষ পর্ব আগামী ৬ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত দেখা যাবে।