অদ্বিতীয়ার বিপদ আরও বাড়তে চলেছে। এবার কুন্তলিনীর জন্য মৃত্যুর মুখে পড়বে সে। এরকমই টানটান উত্তেজনাপূর্ণ পর্ব আসছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'তে। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কুন্তলিনীকে একজন সাধু তার পূর্বজন্মের কথা মনে করাচ্ছে। সে তাকে বলে আগের জন্মে সে গোরাকে ভালবাসত, তখন তার নাম ছিল তমালিনী। আর দিতির জন্য তার গোরাকে পাওয়া হয়নি। 

দিতি এই জন্মেও তার পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড খুঁজছে দিতি। যদি দিতির হাতে সেই তৃতীয় খণ্ড এসে একবার পৌঁছায়, তাহলে কুন্তলের আর গোরাকে পাওয়া হবে না। সাধুর এই কথা শুনে দিতিকে আটকাতে চলে যায় সে। এদিকে দিতি একটা পুকুরের সামনে এসে দাঁড়ায়। মনে মনে ভাবে এই পুকুরের নিচেই ৪০০ বছর ধরে একটা কচ্ছপ ফুল মুরারী কাব্যের তৃতীয় খণ্ড পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু সেটা কীভাবে পাবে সে? 

দিতি এই কথা ভাবতে ভাবতেই তাকে পিছন থেকে আচমকা ধাক্কা দিয়ে জলে ফেলে দেয় কুন্তল। কিন্তু দিতি জলে তলিয়ে যেতে যেতে দেখতে পায় সেই কচ্ছপকে। এবার কি দিতিকে সেই রক্ষা করবে? নাকি মৃত্যুর মুখে পড়বে দিতি? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল পুলস্তের ষড়যন্ত্রের জালে পড়েছে গোরা। তাকে একটা ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এর আগে তাকে বাড়ির পরিচারিকা বিনার শ্লীলতাহানির অভিযোগের দায়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। বিনাকে ভয় দেখিয়ে গোরার বিরুদ্ধে এই মিথ্যে অভিযোগ চাপিয়েছিল পুলস্ত। শুধু তাই নয়, বিনার ছেলে গোপালকেও সে কিডন্যাপ করে আটকে রেখেছিল।

এদিকে, অদ্বিতীয়া সবটা বুঝে ফেলে। অদ্বিতীয়া গোরার খোঁজে আসে। কিন্তু গোরার আগে সে গোপালকে উদ্ধার করতে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপদ। অদ্বিতীয়া দেখে একটা রোবট পুতুল এগিয়ে আসছে তার ও গোপালের দিকে। সেই সেই রোবটের সঙ্গে রয়েছে বোমা। অদ্বিতীয়া ভয়ে কাঁটা হয়ে যায়। কী করে সে বিপদ থেকে উদ্ধার হবে ভাবতে থাকে। এমন সময় সে দেখা পায় মহাপ্রভুর। তিনি যেন এসে গায়ের উত্তরীয় জড়িয়ে দেন দিতি ও গোপালকে। 

এর মধ্যেই বোমা ফাটার শব্দ পায় গোরা। আতঙ্কে কেঁপে ওঠে সে। মহাপ্রভুর ক্রিপায় বেঁচে যায় দিতি ও গোপাল। তারপর গোরাকে উদ্ধার করে আনে সে। মহাপ্রভুর আশীর্বাদ তাদের উপরে থাকলেও এবার অপশক্তির সাহায্য নিচ্ছে পুলস্তরা। কী হবে আগামীতে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক।