গল্প হলেও সত্যি! পর্দার পর বাস্তবেও ডিজাইনার ব্র্যান্ড খুলতে চলেছেন ‘রঙ্গন’ আর ‘তুঁতে’। কিছুদিন ধরেই এমন কানাঘুষো টেলিপাড়ায়। সত্যি-মিথ্যে জানতে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল সৈয়দ আরেফিনের সঙ্গে। তিনি খবরে সিলমোহর দিয়েছেন। জানিয়েছেন, সদ্য ব্র্যান্ডের লোগো প্রকাশ্যে এনেছেন। ব্যবসায় তাঁর দোসর দীপান্বিতা রক্ষিত। ব্র্যান্ডের নাম অ্যাল্ডামুরা। দাবি, জাতীয় স্তরের ব্র্যান্ড খোলার ইচ্ছে। সেই জায়গা থেকেই তাঁদের দোকানের অনুরাগীদের শুধুমাত্র পাশ্চাত্য পোশাকে সাজাবেন তাঁরা। এমন ভাবনার পিছনে যুক্তিও দেখিয়েছেন। ধারাবাহির ‘তুঁতে’র নায়কের মতে, বাংলায় এখনও ব্র্যান্ড মানে শাড়ি, কুর্তি, পাঞ্জাবি, পাজামা। এই ধারণা ভাঙতে এবং শহরবাসীকে আরও ফ্যাশনেবল বানাতেই এই পদক্ষেপ।
আরেফিন নিজে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ছোট থেকেই নিজের পোশাকের ব্যবসা হবে, স্বপ্ন দেখতেন। ‘তুঁতে’ কি সেই ভাবনা আরও উস্কে দিল? কারণ, ছোটপর্দায় তাঁরা ডিজাইনার দম্পতি। প্রশ্ন রাখতেই পর্দার ‘রঙ্গন’ বললেন, ‘‘ইচ্ছেটা ছোটবেলার। তাকে এগিয়ে দিয়েছে দীপান্বিতা। ও খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ফলে, কথায় কথায় এই প্রসঙ্গে কথা উঠতেই দীপান্বিতা বলে ওঠে, তা হলে তো শুরু করলেই হয়। ব্যস, আমরা মাঠে নেমে পড়লাম। তাছাড়, ও খুবই সৎ, স্পষ্টভাষী। ওকে ভরসা করা যায়।’’ আপাতত অন্য কোনও ডিজাইনার নয়, আরেফিন ডিজাইনের দিকটা দেখবেন। সঙ্গী অবশ্যই দীপান্বিতা। পরে ব্যবসা ছড়িয়ে পড়লে তখন অন্য ডিজাইনারের কথা ভাববেন।
কোন বয়সকে ধরবেন আরেফিন? নায়কের জবাব, ১৮ থেকে ৩৫ তাঁর লক্ষ্যে। একটু থেমে যোগ করেন, ‘‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির নায়ক-নায়িকাদেরও সাজানোর খুব ইচ্ছে। কেন জানি না মনে হয়, বলিউডের নায়ক-নায়িকারা এ ব্যাপারের যতটা এগিয়ে বাংলা ততটা নয়। সেই অভাব পূরণের চেষ্টা করব।’’ উন্নত মানের পোশাকে সাজাবেন বলেই ডিজাইনার ড্রেসের দাম তিন অঙ্কে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। নায়কের মতে, তবে কখনওই তা পাঁচ অঙ্ক ছোঁবে না। সাধারণের কথা মনে রেখে চার অঙ্কের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মেয়েদের জন্য ড্রেস, গাউন থাকবে। পুরুষের জন্য শার্ট, জ্যাকেট— আপাতত ভাবনায় এইই আছে। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুটিক রয়েছে। পুজোর আগে নিজেদের বুটিক খুলেছেন নীল ভট্টাচার্য-তৃণা সাহা। তা হলে তো জোর প্রতিযোগিতা? মানতে নারাজ আরেফিন। জানিয়েছেন, ওঁদের বুটিকে এথনিক পোশাক পাওয়া যায়। তাঁর ব্র্যান্ডে তাই শুধুই পাশ্চাত্য পোশাক থাকবে।
আরেফিন নিজে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ছোট থেকেই নিজের পোশাকের ব্যবসা হবে, স্বপ্ন দেখতেন। ‘তুঁতে’ কি সেই ভাবনা আরও উস্কে দিল? কারণ, ছোটপর্দায় তাঁরা ডিজাইনার দম্পতি। প্রশ্ন রাখতেই পর্দার ‘রঙ্গন’ বললেন, ‘‘ইচ্ছেটা ছোটবেলার। তাকে এগিয়ে দিয়েছে দীপান্বিতা। ও খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ফলে, কথায় কথায় এই প্রসঙ্গে কথা উঠতেই দীপান্বিতা বলে ওঠে, তা হলে তো শুরু করলেই হয়। ব্যস, আমরা মাঠে নেমে পড়লাম। তাছাড়, ও খুবই সৎ, স্পষ্টভাষী। ওকে ভরসা করা যায়।’’ আপাতত অন্য কোনও ডিজাইনার নয়, আরেফিন ডিজাইনের দিকটা দেখবেন। সঙ্গী অবশ্যই দীপান্বিতা। পরে ব্যবসা ছড়িয়ে পড়লে তখন অন্য ডিজাইনারের কথা ভাববেন।
কোন বয়সকে ধরবেন আরেফিন? নায়কের জবাব, ১৮ থেকে ৩৫ তাঁর লক্ষ্যে। একটু থেমে যোগ করেন, ‘‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির নায়ক-নায়িকাদেরও সাজানোর খুব ইচ্ছে। কেন জানি না মনে হয়, বলিউডের নায়ক-নায়িকারা এ ব্যাপারের যতটা এগিয়ে বাংলা ততটা নয়। সেই অভাব পূরণের চেষ্টা করব।’’ উন্নত মানের পোশাকে সাজাবেন বলেই ডিজাইনার ড্রেসের দাম তিন অঙ্কে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। নায়কের মতে, তবে কখনওই তা পাঁচ অঙ্ক ছোঁবে না। সাধারণের কথা মনে রেখে চার অঙ্কের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মেয়েদের জন্য ড্রেস, গাউন থাকবে। পুরুষের জন্য শার্ট, জ্যাকেট— আপাতত ভাবনায় এইই আছে। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুটিক রয়েছে। পুজোর আগে নিজেদের বুটিক খুলেছেন নীল ভট্টাচার্য-তৃণা সাহা। তা হলে তো জোর প্রতিযোগিতা? মানতে নারাজ আরেফিন। জানিয়েছেন, ওঁদের বুটিকে এথনিক পোশাক পাওয়া যায়। তাঁর ব্র্যান্ডে তাই শুধুই পাশ্চাত্য পোশাক থাকবে।
















