রাণা সরকারের প্রযোজনায় মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিক 'গুনগুন করে মহুয়া'র শুটিং শুরুর প্রথমদিনেই বাধা আসে। পরিচালক রাজদীপ ঘোষের নির্দেশনায় শুরু হয়েছিল শুটিং। তবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শুটিং, এমনটাই অভিযোগ খোদ প্রযোজকের। সমাজমাধ্যমে রাণার অভিযোগ, একদল লোক যাঁরা টেকনিশিয়ান কিন্তু তাঁদের সঙ্গে মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিকের সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নন, এমনকী তাঁদের সঙ্গে নেই কোনও সমস্যা। অভিযুক্তরা নাকি শুটিং লোকেশনে এসে ছবির ইউনিটের কর্মীকে মারধর করেছে, যার জেরে থমকে গিয়েছে শুটিং। 

তবে এদিন আরও এক অভিযোগ ওঠে। কিন্তু সেই অভিযোগের তির রাণা সরকারের দিকে। জানা যায়, তিনি নাকি বাধা দিতে আসা লোকজনের মধ্যে একজনকে মারধর করেন। শনিবার ইম্পা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত ও রাণা সরকারের সাংবাদিক সম্মেলনে এই নিয়ে কথা ওঠে। রাণা সরকার অভিযোগ ভুয়ো বলে দাবি করেন। বলেন, "এখনও পর্যন্ত কারওর গায়ে হাত তুলিনি। তবে আবার যদি আমার ফ্লোরে এরকমভাবে কেউ এসে শুটিং বন্ধ করতে চায় তাহলে গায়ে হাত তুলতে বাধ্য হব। আমার রক্ত জল করা পয়সার ক্ষতি তো বসে বসে দেখব না। ফেডারেশন, ইম্পা, পুলিশ প্রশাসন যদি কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমাদের উপর ছেড়ে দিক, আমরা দেখে নেব। আমার ফ্লোরে এরকম গুণ্ডামি সহ্য করব না।"

প্রযোজক জানিয়েছেন, গোটা ঘটনাটি নিয়ে তাঁরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। এরপর ফেসবুকে ফেডারেশন ও স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে আবেদন জানিয়েছে এই সমস্যা সমাধানের জন্য। এদিন পিয়া সেনগুপ্তও একই আবেদন করেন স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে। 

পিয়া সেনগুপ্ত আজকাল ডট ইন-কে বলেন, "যারা এসেছিল ফ্লোরে শুটিং বন্ধ করতে তারা নিজেরাই দাবি করেছিল তারা ফেডারেশনের লোক। এরকম একটা ঘটনায় ইন্ডাস্ট্রির উপরে কতটা চাপ ফেলে সেটা তো বুঝতে হবে। স্বরূপদা বিচক্ষণ মানুষ, আমাদের আশা নিশ্চয়ই এর একটা বিহিত উনি করবেন।"

এই বিষয়ে স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, "এর আগেও অনেক সময় পারিশ্রমিক পাননি বলে অনেক টেকনিশিয়ান কাজে বাধা দিয়েছেন, পরে তাঁদের পারিশ্রমিক মিটিয়ে দেওয়ার পর কাজ হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কেন হঠাৎ এমন হল, সেটা আমার ঠিক জানা নেই। তবে এটা সত্যিই অনভিপ্রেত। আমরা রাণাবাবুর ইমেল পেয়েছি, দেখছি বিষয়টা।"