অয়ন চক্রবর্তীর পরিচালনায় হইচই-এর নতুন ওয়েব সিরিজ 'ঠাকুমার ঝুলি'তে শ্রাবন্তীকে দেখা যাবে ঠাকুমার চরিত্রে৷ ওয়েব সিরিজ মুক্তির আগে আজকাল ডট ইনের সঙ্গে আড্ডা দিলেন শ্রাবন্তী৷ যদিও নিছক আড্ডা নয়, চরিত্র নির্বাচন, আইটেম সং, রাজনীতি থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোলিং সবকিছু নিয়ে মতামত জানালেন শ্রাবন্তী৷ 

সোশ্যাল মিডিয়া আর ট্রোলিং শব্দদুটো যেন একসঙ্গে উচ্চারিত হয় ইদানীং।  এই ট্রোলিং নিয়ে শ্রাবন্তীর কী মত, জানতে চেয়েছিল আজকাল ডট ইন৷ শ্রাবন্তী বলেন, "সব কিছুর তো একটা সীমা আছে। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি৷ আমি তো নগণ্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ছাড়ছে না৷ আমার সহকর্মীদের অনেককে ট্রোল করা হয়েছে৷"


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই শ্রাবন্তী ট্রোলিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন৷ আজকাল ডট ইন- সেই ঘটনার কথা স্মরণ করলে শ্রাবন্তী বলেন, "বাক্ স্বাধীনতা আছে বলেই যা খুশি বলা যায় না।নিজেদের ভিতরের ফ্রাসট্রেশন এভাবে দেখানো যায় না।"

সারা বিশ্বে 'উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট' নিয়ে কথা হচ্ছে৷ সেখানে সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলারাই মহিলাদের অসম্মান করছে৷ শ্রাবন্তী বলেন, "এআই ব্যবহার করে জঘন্য ভিডিয়ো বানানো হচ্ছে৷ আমরা সফট টার্গেট। বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি।"

শ্রাবন্তী চান, বাক্ স্বাধীনতার পাশাপাশি মানুষের সম্মান রক্ষার্থে এমন কোনও আইন আসুক যেখানে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বনামে বা বেনামে যে সমস্ত মানুষ গালাগালি করেন, নোংরা কথা বলেন তারা যেন সতর্ক হয়ে যান। এই অসভ্যতা বন্ধ করতে চান শ্রাবন্তী৷  

যদিও শ্রাবন্তীর মতে, শুধু মহিলারা নয়, পুরুষরাও অপমানিত হন৷ কিন্তু মহিলাদের অপমান করা যেহেতু দীর্ঘদিনের অভ্যাস তাই এখনও মহিলারাদেরকেই বেশি টার্গেট করা হয়৷ 

দর্শকদের প্রত্যাশা থাকবেই। কিন্তু চরিত্রর প্রয়োজনে অভিনেতা অভিনেত্রীদের চেহারায় বদল আনতে হয়৷ সেই বদল এসেছে বলেই পূর্ব পরিকল্পিত কোনও অনুষ্ঠান বাতিল করা যায় না। 

যদিও শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, ট্রোলিংয়ের জেরে সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন তিনি। কারণ প্রচুর মানুষ আছেন যাঁরা শ্রাবন্তীকে ভালবাসেন৷ শুধু তাই নয়, ডিজিটাল দুনিয়ায় পেশাগত প্রয়োজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলেও অভিমত শ্রাবন্তীর৷

&t=425s