সংবাদ সংস্থা মুম্বই: মাত্র ৮ দিনে দেশের বাজারে ৪০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলেছিল শাহরুখ খান অভিনীত ছবি 'জওয়ান'। বিশ্বব্যাপী আয়টা তার দ্বিগুণ। ছবি ব্লকবাস্টার ঘোষিত হয়ে যায় মুক্তি পাওয়ার দু'দিনের মাথায়। তবে এবার এই ছবি নিয়েই বড়সড় অভিযোগ তুললেন ইউটিউবার বিরাজ ঘেলানী। তিনি 'জওয়ান'-এ একটি ছোট্ট চরিত্রে অভিনয়ও করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাকে নিজের জীবনের 'সবথেকে জঘন্য অভিজ্ঞতা' বলে আখ্যা দিলেন তিনি!
সম্প্রতি বিরাজ ঘেলানী জানিয়েছেন যে 'জওয়ান'-এর শুটিং চলাকালীন তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করা হয়েছিল। শুটিং ইউনিটের একাধিক মানুষের থেকে রূঢ় ব্যবহার পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, " যাঁরা আমার পরিচিত তাঁদের 'জওয়ান'-এ আমার অভিনয় ভাল লেগেছে। আলাদাভাবে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েও অনেকে বলেথিলেন, 'ছবিতে তোমাকে দেখলাম, বেশ লাগল... ইত্যাদি ইত্যাদি'। কিন্তু তাঁরা জানেন না এই ছবিতে কাজ করা আমার জীবনের কতটা খারাপ অভিজ্ঞতা ছিল। বলব, সবথেকে খারাপ অভিজ্ঞতা!"
এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, "দেখুন, ওই ছবিতে শাহরুখ খান ছিলেন। তাও আবার দ্বৈত চরিত্রে। এর উপর আবার সঞ্জয় দত্ত। তখন আমার মতো অভিনেতাকে নির্মাতারা কী আর পাত্তা দেয়! ধার্তব্যর মধ্যেই আনত না। অসম্ভব রূঢ় ব্যবহার ছিল শুটিং ইউনিটের। খুব খারাপভাবে নির্দেশ আসত, 'এখানে দাঁড়িয়ে যা, চুপচাপ ওখানে গিয়ে এই কাজটা কর্...এরকম। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিস্কার হবে। ছবিতে আমার অভিনীত চরিত্রটি একজন পুলিশ অফিসারের ছিল। একটি অ্যাকশন দৃশ্যে আমার হাতে বন্দুক ছিল। ক্লোজ আপ সিন ছিল সেটা। এরপর পরের দৃশ্য খানিক দূর থেকে ক্যামেরার ফ্রেমে সব অভিনেতাকে একসঙ্গে নেওয়া হবে, 'ওয়াইড শট' আর কী। শুটিং শুরু হওয়ার খানিকক্ষণ আগে আমার হাত থেকে একজন ব্যক্তি যে ছবির প্রপস্ বিভাগে ছিলেন তিনি বন্দুকটা নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। আমি শুট শুরু হওয়ার প্রাকমুহূর্তে সেই নকল বন্দুকটি হাতে না পেয়ে বাধ্য হয়ে শুটিং ইউনিটের একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার বন্দুকটি কোথায় গেল? কারণ ওটা তো আমার লাগবে। তাচ্ছিল্যের সুরে জবাব এসেছিল,' হ্যাঁ, হ্যাঁ। পেয়ে যাবে'। এরপর সেই দৃশ্যের শুটিং শুরু হল এবং একটি সময়ের পর শেষ হল। কিন্তু আমার হাতে আর বন্দুক আসেনি। এরকম ব্যবহার করা হত"।
ওই নেট প্রভাবীর এই কথা শুনে হইহই রব তুলেছে নেটপাড়ার একাংশ। অভিযোগকারীকে ঘিরে শুরু হয়েছে হাসাহাসি। কেউ প্রশ্ন করছেন, 'কে মশাই আপনি? আপনাকে তো চিনিই না।আপনিও অভিনেতা?" অন্যজন লেখেন, "প্রচার পাওয়ার জন্য দাদা এসব করছেন"। অন্য এক নেট ব্যবহারকারী লিখে ফেললেন, "দুর মশাই! এখান থেকে এখন ফুটুন তো!"
















