কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল ৮ম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৯ ও ১০ জুলাই ২০২৬ কলকাতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
2
9
এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন এবং কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবে কমিশন।
3
9
২৯ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানিয়েছে, বৈঠকে অংশ নিতে আগ্রহী সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে আগে কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে স্মারকলিপি জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে আবেদনকারীদের একটি ‘ইউনিক মেমো আইডি’ সংগ্রহ করতে হবে, যা বৈঠকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সময় জমা দিতে হবে।
4
9
প্রথমে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারিত ছিল ৩১ মে ২০২৬। তবে অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এর পরে আর কোনও অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না।
5
9
৮ম বেতন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশন এই বৈঠকের জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইট 8cpc.gov.in ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে জমা দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করা হবে না। বিশেষভাবে জানানো হয়েছে, হার্ড কপি বা কাগজে জমা দেওয়া নথি বিবেচনা করা হবে না।
6
9
কমিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বৈঠকের নির্দিষ্ট ভেন্যু ও চূড়ান্ত সময়সূচি পরবর্তীতে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
7
9
এদিকে জুন মাসেও কমিশনের একাধিক সফরসূচি রয়েছে। ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবে ৮ম বেতন কমিশন। এছাড়া ৮ জুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখেও সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।
8
9
উল্লেখ্য, কেন্দ্র সরকার ৮ম বেতন কমিশন গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন কাঠামো, ভাতা এবং পেনশন সুবিধা পুনর্বিবেচনার জন্য। কমিশনের হাতে সুপারিশপত্র জমা দেওয়ার জন্য মোট ১৮ মাস সময় রয়েছে।
9
9
এই কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হলে দেশের লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির আয়, ভাতা এবং আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই কমিশনের এই আঞ্চলিক বৈঠকগুলি ভবিষ্যতের বেতন কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।