অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে ১৩ পাতার আবেদনপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। পরিবারের সকল সদস্যের তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে চাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্কও। বিষয়টি নিয়ে ওয়াকিবহাল রাজ্য সরকারের মন্ত্রীরাও। প্রশ্ন হল, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মে কি বড়সড় বদল আসছে?
2
6
নবান্ন সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ফর্ম সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়া নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।
3
6
জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর পাতায় পরিবারের সদস্যদের আয়, সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং অন্যান্য আর্থিক তথ্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিয়ে সমস্যা বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
4
6
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও দ্রুত করতে ফর্মের কিছু অংশ সংশোধনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনীয় তথ্যের অংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।
5
6
১৩ পাতার অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম নিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছেন, “এই ফর্ম পূরণ করা নিয়ে অনেক জায়গা থেকে অভিযোগ পাচ্ছি। তবে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। হয়তো ১৩টা পাতা দেখে অনেকেই ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি, যদি সেটা কিছুটা সরল করা যায়। তবে আসলে ১৩ পাতা তথ্য দিলেই যে কেউ অন্নপূর্ণ ভাণ্ডার পাবেন এমনটা নয়। কারণ, আগামী দিনে অনেক কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রাজ্যে বাস্তবায়িত হবে। তাই আমরা আগে থেকেই ডেটা নিয়ে রাখছি, যাতে পরে অসুবিধা না হয়। এই ডেটার উপর ভিত্তি করে আপনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন কি না পাবেন সেটা ফ্যাক্ট নয়।”
6
6
অগ্নিমিত্রার সাফ কথা, “যাঁরা ভোটার লিস্ট থেকে বাদ পড়েছেন তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন না। এমনকি যাঁরা বেআইনিভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিচ্ছিলেন তারাও পাবেন না। যাঁরা আয়কর দেন তাদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাওয়ার কথাই নয়। এছাড়া যাঁরা সন্তানদেরকে সরকার অনুমোদিত স্কুলে পড়াননি তারাও পাবেন না। প্রকৃত প্রাপকদের কাছে এই প্রকল্পের সুবিদা পোঁছক, নতুন রাজ্য সরকারের এটাই অগ্রাধিকার।”