অভিনেতা রজতাভ দত্তের স্ত্রী সাহানা বাজপেয়ী! সমাজমাধ্যমে এই খবর রটতেই হতবাক গায়িকা। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে মুখ খুললেন তিনি।
সাহানা বাজপেয়ী এদিন ফেসবুকের পাতায় একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন। সেখানে ফেসবুকে জনৈকের শেয়ার করা একটি পোস্টে সব্যসাচী চক্রবর্তী এবং রজতাভ দত্তের জীবনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর সেখানেই জানানো হয়েছে রজতাভ দত্তের স্ত্রী হলেন সাহানা বাজপেয়ী। এই পোস্ট দেখে হতবাক হওয়ার পাশাপাশি ভারী মজাও পেয়েছেন গায়িকা।
সাহানা এদিন তাঁর সমাজমাধ্যমের পোস্টে লেখেন, 'রনি দার (রজতাভ দত্তের ডাকনাম) বউ সোমা দির সঙ্গে গত বছর একটা এক্সিবিশনে দেখা। বললেন হ্যাঁ রে, তোকে তো আমার সতীন বানিয়ে দিয়েছে লোকজন।' এর সঙ্গেই তিনি মশকরা করে লেখেন, 'তা অন্তর্জালে তো লোকে কত কিছুই লেখে, বলে গল্পের গরুরা গাঁজা খেয়ে গেছে উঠে উড়াল দেয়। কই শাহরুখ খান আর আমার প্রেমটা নিয়ে কেউ কিছু কেন বলে না? বারবার খালি রনি দার বউ বানিয়ে ছাড়ে! আজব পাবলিক!'
এই পোস্ট দেখে ভারী মজা পেয়েছেন নেটিজেনরা। এক ব্যক্তি লেখেন, 'কেবল তোমায় ওঁর স্ত্রী বানানো হয় না। উৎপল দত্তের ছেলেও বানিয়ে দেওয়া হয়।' আরও একজন লেখেন, 'এ তো পুরো আইডেন্টিটি ক্রাইসিস।' সাহানা বাজপেয়ীর এক অনুরাগীর মন্তব্য, 'আপনাকে অটল বিহারী বাজপেয়ীর মেয়ে বানিয়ে দেয়নি এটাই যথেষ্ট।'
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, সাহানা বাজপেয়ী বিবাহিত। তাঁর স্বামী রিচার্ড হেররেট। তিনি ব্রিটিশ নাগরিক। তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও আছে।
প্রসঙ্গত, সাহানা বাজপেয়ী সম্প্রতি অভিনেতাদের খোঁচা দিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি তাঁর পোস্টে লেখেন আজকাল অভিনেতা, অভিনেত্রী হওয়া ভাল। এতে ছবির কাজের পাশাপাশি পাড়ায় পাড়ায়, মেলা, বিদেশে গিয়ে গানের অনুষ্ঠান করা যায়। গায়িকা খোঁচা দিয়ে তাঁর পোস্টে লেখেন, 'ভাবছি বাংলা ছবির নায়ক - নায়িকা হলেই ভাল হতো। যাঁরা পেশাদার সঙ্গীত শিল্পী তাঁদের পেটে লাথি মেরে পাড়ায় পাড়ায় মেলায় মেলায় দেশে বিদেশে বেশ গানের অনুষ্ঠান পাওয়া যেত প্রচুর! গান ফান শেখা - জানার কোনও দরকারই নেই - গিটারে ৩টে কর্ড জানলেই হবে। আর মুখে আধ - সেদ্ধ বাতেলা I ওই ৩টে কর্ড দিয়েই সব গান হয়ে যাবে।'
তিনি আরও লেখেন, 'আর যেহেতু হিরো-হিরোইন, পর্দায় গানে হেবি লিপ দিতে পারি, তাই নিজে যখন গাইব, তখনও সব গানই দুর্দান্ত ভাল হবে। কারণ অন্যের গাওয়া গানে লিপ দিয়ে নেচে কুঁদেই তো আসল সঙ্গীত শিল্পী হওয়া যায়। আর এই সুবাদে হাততালিতে ফেটে পড়বে হলের পর হল। বিগলিত-প্রাণ অনুষ্ঠানকর্তারা ফেব্রিক রং দিয়ে একতারা আঁকা পাঞ্জাবি পরে সেইসব হিট পে হিট গানের জলসার চারপাশে ফুরফুর করে ঘুরবেন আর ভাববেন বাংলা সংস্কৃতির এই অনির্বচনীয় উদযাপনে তিনি কতই না মহান একটি ভূমিকা পালন করলেন। যে কোনও দ্য সাউথ ক্যালকাটা বুটিক স্কুল অফ ফিল্মস-এ বেশ স্টাইলিশ, মেজো কামিমার রোল হলেও চলবে।'
