মহিলাদের নিয়ে সান বাংলায় শুরু হয়েছিল 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'। এই শো-এর জনপ্রিয়তা এখন বাংলার ঘরে ঘরে। চলছে এখন সিজন ২। জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই এখন নতুন রূপে, নতুন সাজে,আরও বড়ভাবে দেখা যাচ্ছে 'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ'। দেখতে দেখতে এসে গিয়েছে সিজন ২-এর মাসিক ফাইনাল। ডিসেম্বরে ফাইনালে উপস্থিত থাকবেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী  জোজো। 

'লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ' শো-এ এসে স্বাভাবিকভাবে খুশি জোজো। তিনি বলেন, "এই শো-এ আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। শো-এর লক্ষ্মীদের দেখে আমি সত্যি অনুপ্রাণিত হচ্ছি। বিনোদনের সঙ্গে একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করছে এই শো। আমি সুযোগ পেলে মাঝে মাঝে শো-টা দেখি। এত মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে দেখে খুবই ভাল লাগছে।"


সিজন ২-এর মাসিক ফাইনাল হাসি-খেলায়-মজায় ভরপুর। ফাইনালের বিজয়িনী পাবেন ২ লাখ টাকা। সঙ্গে থাকছে লক্ষ্মীদের জীবন সংগ্রামের গল্প। সেইসব গল্প শুনবেন জোজো। থাকবে জোজোর পারফরম্যান্সও। জনপ্রিয় হিন্দি গান 'দম মারো দম' থেকে 'হরি ওম হরি' গেয়ে সকলকে মাতিয়ে রাখবেন তিনি। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধে ৬ টায় সান বাংলায় দেখা যাবে এই ফাইনাল 


বাংলার সব মহিলারাই অডিশনের মাধ্যমে এই খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। ‘লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ’ এখন পাঁচ রাউন্ডে খেলা হয়। প্রতি রাউন্ডেই খেলার শেষে প্রতিযোগীদের জন্য থাকে নগদ টাকার পুরস্কার। একেবারে ফাইনাল রাউন্ডে বিজয়িনীর জন্য থাকে এক লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার।  প্রতি পর্বে এখন থেকে তিনজনের বদলে চারজন করে মহিলা প্রতিযোগী থাকেন। কাউকেই খালি হাতে ফিরতে হয় না। নতুন এই ফরম্যাটে যুক্ত হয়েছে নতুন একটা খেলা। "টাকার খনি", "বল ফেলতে টাকা কুলো" এমন সব মজার খেলার সঙ্গে এখন খেলা হয় 'টাকার গদি'।  গোটা শো-টি সঞ্চালনার দায়িত্বে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী।


‘লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভ’ নিছক একটা নন ফিকশন শো নয়, মহিলাদের নিজেদের স্বপ্নপূরণের একটা প্ল্যাটফর্ম যেন এই শো। মহিলাদের স্বনির্ভর হওয়ার ইচ্ছেকে আরও জোরালো করতেই সান বাংলার এই  উদ্যোগ। এই শো সঞ্চালনা করতে করতে জীবন সম্পর্কে তাঁর ধারণা অনেকটাই বদলে গেছে বলে বার বার জানিয়েছেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। তিনি অনেকবার বলেছেন এত মহিলার লড়াইয়ের গল্প শুনতে শুনতে নিজের জীবন সম্পর্কে অভিযোগ করা তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন। 


 মাঝে মাঝে লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভে খেলতে আসেন তারকারাও। গল্প,আড্ডায় জমে ওঠে তারকাদের পর্ব। তারকারা অবশ্য সব টাকা নিয়ে যান না। তাঁদের টাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে "লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক"। 

এবারে 'লক্ষ্মী ব্যাঙ্ক'-এর টাকা থেকে কয়েকজন লড়াকু লক্ষ্মীর 
 হাতে তুলে দেওয়া হবে টাকা যাতে তাঁরা তাঁদের স্বপ্নপূরণের দিশা খুঁজে পান। মানুষের বিপুল চাহিদার জন্য এই শো এখন টানা দেড় ঘন্টার। এই শো দেখতে চোখ রাখুন সান বাংলায় প্রতিদিন সন্ধে ৬ টায়।