টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

অস্কারের দরবারে শাহরুখ খান


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মুকুটে নতুন পালক! প্রায় ১৭ বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবি 'ওম শান্তি ওম' এবার জায়গা করে নিল বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় মঞ্চ অস্কারের দরবারে। খোদ অস্কারের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শাহরুখের একটি ক্লিপ শেয়ার করা হয়েছে, যা দেখে উত্তাল গোটা নেটদুনিয়া। সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস (অস্কার) তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজে 'ওম শান্তি ওম' ছবির সেই বিখ্যাত দৃশ্যটি পোস্ট করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে,  শাহরুখের সেই চিরসবুজ ডায়ালগ "ইতনি শিদ্দত সে ম্যায়নে তুঝে পানে কি কোশিশ কি হ্যায়..."। ভিডিওটি নজর এড়ায়নি কিং খানেরও। তিনি পুরনো দিনের স্মৃতিতে ডুবে গিয়ে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ওদিকে ছবির পরিচালক ফারহা খান আনন্দে আত্মহারা। তিনি জানিয়েছেন, এত বছর পর যখন আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর কাজকে এভাবে উদযাপন করা হয়, তখন বুকটা গর্বে ভরে ওঠে।

পাপারাজ্জিদের একহাত নিলেন উরফি

বলিউড অভিনেত্রী পত্রলেখাকে নিয়ে কুরুচির মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার ফেটে পড়লেন উরফি জাভেদ। বরাবরই ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য পরিচিত উরফি এবার একহাত নিলেন পাপারাজ্জিদের একটি পেজকে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন রাজকুমার রাও-এর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী পত্রলেখা। সেখানে তাঁর পোশাক এবং শারীরিক গঠন নিয়ে একটি পাপারাজ্জি পেজ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য বা 'বডি শেমিং' করা হয়। বিষয়টি নজর এড়ায়নি উরফির। ওই পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে উরফি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, "আপনাদের সমস্যাটা ঠিক কী?" তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যে, একজন নারী কী পোশাক পরবেন বা তাঁকে কেমন দেখতে লাগছে, তা নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। পত্রলেখার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, লাইমলাইটে থাকা মানেই কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার লাইসেন্স পাওয়া নয়। উরফির এই সাহসী প্রতিবাদ মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। 

বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে গ্রামের কুঁড়েঘরে থাকছেন অক্ষয়ের পুত্র আরভ

বলিউড খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের ছেলে আরভ ভাটিয়া যেন আজকের যুগের একেবারে অন্য ধরনের 'স্টার কিড'। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানিয়েছেন, ছেলের এই সাধারণ জীবনযাত্রার গল্প। আরভ বর্তমানে ভারতে ফ্যাশন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। প্রায়ই ঘুরে বেড়ান ভারতের ছোট ছোট গ্রামে। অক্ষয় কুমার গর্বের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, আরভ গ্রামের সাধারণ কারিগরদের থেকে কাজ শিখছেন। আর এই কাজের জন্য তিনি মাসে বেতন পান মাত্র ৪,৫০০ টাকা। একজন সুপারস্টারের ছেলে হয়েও তিনি এই সামান্য টাকাতেই নিজের খরচ সামলাচ্ছেন। দামী ব্র্যান্ডের মোহ আরভের নেই বললেই চলে। অক্ষয় জানান, তাঁর ছেলে অনেক সময় সেকেন্ড-হ্যান্ড বা পুরনো জামাকাপড় কিনে পরেন। এমনকী গ্রামে থাকার সময় সাধারণ মানুষের মতোই কুঁড়েঘরে থাকছেন বা মাটিতে ঘুমাচ্ছেন। বিলাসিতার বদলে এই সাদামাটা জীবনই তাঁর বেশি পছন্দ। অক্ষয় এবং টুইঙ্কল খান্না দুজনেই চেয়েছিলেন তাঁদের সন্তানরা যেন মাটির কাছাকাছি থেকে বড় হয়। আরভও সেই শিক্ষাই মেনে চলছেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান এবং নিজের পরিশ্রম দিয়ে কাজ শিখতে চান।