পরিচালক, কোরিওগ্রাফার এবং বর্তমানে ভ্লগার, তিন ভূমিকাতেই দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের বিনোদন দিয়ে চলেছেন ফারাহ খান। তবে তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা কাজগুলি তৈরি হয়েছে শাহরুখ খানের সঙ্গে। সেই কারণেই সম্প্রতি যখন নেটিজেনরা এক দশক পর আবার পরিচালকের ভূমিকায় ফিরতে অনুরোধ করেন ফারাহকে। আর তিনি ইঙ্গিত দেন যে, পরিচালক হিসাবে তাঁর প্রত্যাবর্তন হবে শাহরুখকে নিয়েই। স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনায় ফেটে পড়েন অনুরাগীরা।

আর সেই উত্তেজনার মধ্যেই নতুন গুঞ্জন, ফারাহ ও শাহরুখ ফের একসঙ্গে আসতে চলেছেন ‘ম্যায় হুঁ না ২’ নিয়ে। ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারহিট ছবি ‘ম্যায় হুঁ না’-র সিক্যুয়েল হিসাবে এই ছবির পরিকল্পনা চলছে বলেই খবর।

এক সূত্রের দাবি, “ফারাহ শাহরুখের জন্য একটি আকর্ষণীয় ডাবল রোলে পরিকল্পনা, যা অভিনেতাকে ভীষণভাবে উৎসাহিত করেছে। এটি সিক্যুয়েলের আবেগ ও বিনোদনের মাত্রা আরও বাড়াবে। শাহরুখকে এখানে দু’টি সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রে দেখা যেতে পারে।”

সূত্র আরও জানায় যে, ছবিটি হবে দেশপ্রেমে ভরপুর। মূল কাস্ট ফিরতে পারে এবং গল্পের কেন্দ্রে থাকবে ভারতের বিরুদ্ধে এক নতুন হুমকি। অ্যাকশন ও কমেডির মেলবন্ধনেই এগোবে চিত্রনাট্য। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গল্পের মূল ভাবনাটি নাকি এসেছে শাহরুখের কাছ থেকেই।

শাহরুখ তাঁর আসন্ন ছবি ‘কিং’-এর কাজ শেষ করার পর, চলতি বছরের মে মাসে ‘ম্যায় হুঁ না ২’-এর সম্পূর্ণ ন্যারেশন শুনবেন। তার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

এই খবর সামনে আসতেই উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা। নেটমাধ্যমে এক ভক্ত লেখেন, ‘যদি এটা সত্যিই হয়, তাহলে খুব খুশি হব। শাহরুখকে আবার হালকা মেজাজের ছবিতে দেখা দারুণ হবে। ’ আর এ জনের দাবি, ‘কিং-এর পর শাহরুখের পরের ছবি ফারাহর সঙ্গেই। হোক সেটা ‘ম্যায় হুঁ না ২’ বা অন্য কিছু।’ যদিও রেডিটে এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘ফারাহর ছবি হলে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু শুধু সিক্যুয়েলের নাম ব্যবহার করে যেন কিছু না বিক্রি করা হয়।’

‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির মূল কাস্টে শাহরুখের পাশাপাশি ছিলেন সুস্মিতা সেন, সুনীল শেট্টি, জায়েদ খান এবং অমৃতা রাও। আপাতত তাঁদের প্রত্যাবর্তন নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এখন দেখার, শাহরুখ-ফারাহর এই বহুল প্রতীক্ষিত পুনর্মিলন আদৌ পর্দায় বাস্তব রূপ পায় কি না।