হঠাৎ হঠাৎ জীবনে বাধা, মানসিক অস্থিরতা, কাজে মন না বসা, সম্পর্কের জটিলতা বা অকারণ ভয়- এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এর অন্যতম কারণ হতে পারে রাহু দোষ। কুণ্ডলীতে রাহুর অবস্থান দুর্বল বা অশুভ হলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
2
9
রাহু একটি ছায়াগ্রহ। এটি সরাসরি দেখা না গেলেও মানুষের চিন্তাভাবনা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও জীবনের গতিপথের উপর এর প্রভাব পড়ে বলে বিশ্বাস। রাহু দোষ থাকলে মানুষ অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, বারবার ঠকে যায় বা অকারণে মানসিক চাপে ভোগে।
3
9
জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে, রাহু দোষ কমানোর জন্য খুব জটিল বা ব্যয়বহুল কোনও পুজোপাঠ নয়, বরং একটি সহজ অভ্যাসই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সেই অভ্যাস হল, বাথরুম ও টয়লেট সবসময় পরিষ্কার রাখা।
4
9
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, রাহু নোংরা, অন্ধকার ও অপরিষ্কার জায়গার সঙ্গে যুক্ত। বাড়ির বাথরুম যদি অপরিষ্কার থাকে, তাহলে রাহুর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়ে বলে মনে করা হয়। এর ফলে ঘরে অশান্তি, মানসিক চাপ ও কাজের বাধা বাড়তে পারে।
5
9
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সম্ভব না হলেও নিয়মিতভাবে বাথরুম পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। সপ্তাহে অন্তত একদিন নুন মেশানো জল দিয়ে টয়লেট, ড্রেন ও মেঝে ভাল করে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। নুনকে নেতিবাচক শক্তি দূর করার উপাদান হিসেবে ধরা হয়।
6
9
এছাড়াও পরিষ্কার করার সময় 'ওম রাম রহুয়ে নমঃ' মন্ত্রটি ২১ বার জপ করলে মানসিক শান্তি বাড়ে এবং ভয় ও বিভ্রান্তি কমে বলে বিশ্বাস।
7
9
অনেক জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞের মতে, এই অভ্যাস নিয়মিত করলে ধীরে ধীরে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
8
9
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বাথরুমের আয়না। আয়না নোংরা বা দাগযুক্ত থাকলে তা মানসিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তাই আয়না নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
9
9
তবে বিশেষজ্ঞরা এও জানাচ্ছেন, এই সব উপায় বিশ্বাসভিত্তিক। এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কিন্তু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ যে মানসিক স্বস্তি ও ইতিবাচক ভাবনা তৈরি করে, তা অস্বীকার করা যায় না।