সোমবার বিকেল৷ রাহুল অরুনোদয় ব্যানার্জির শবদেহ এসে পৌঁছেছে তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে৷ বাড়ির সামনে গিজগিজ করছে ভিড়৷ ভিড়ের চাপে ব্যারিকেড ভেঙে গেল। একবার শুধু আদরের বাবিনকে বা রাহুলকে দেখতে চায় সকলে৷
কিছুক্ষণের মধ্যে অভিনেতার মরদেহ কেওড়াতলা মহাশ্মশানের উদ্দেশে রওনা হল৷ রাহুলের শেষযাত্রায় সঙ্গ দিলেন স্কুলের বন্ধুরা৷ কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই শোকের আবহে ক্ষোভের ছায়া৷
বন্ধুর শেষযাত্রায় থাকার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছে৷ বেছে বেছে শুধু সেলেবদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ৷
কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তখন উপস্থিত প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, কৌশিক গাঙ্গুলি, চূর্ণী গাঙ্গুলি, অঙ্কুশ হাজরা, রুদ্রনীল ঘোষ, গৌরব চক্রবর্তী, ঋদ্ধিমা ঘোষ সহ অনেকে৷
শ্মশানের গেটে রাহুলের স্কুলের বন্ধুদের আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে৷ ময়নাতদন্তের পরে তাঁরাই রাহুলের দেহ নিয়ে আসেন বলে জানা গিয়েছে৷ কিন্তু শ্মশানের গেটে ঝামেলা করে ঢুকতে পারলেও শ্মশানে প্রবেশ করতেই আবারও আটকে দেওয়া হয়৷ এই সময় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন কেউ কেউ। ছোট বেলার বন্ধুকে শেষযাত্রায় দেখার অধিকার তাঁদেরও আছে। সেলেবদের জন্য কেন তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না সেই নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়৷














