পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্র সরকারের সব প্রকল্প চালু হতে চলেছে। এতদিন তৃণমূল সরকারের সঙ্গে সংঘাতের কারণে সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পেতেন না রাজ্যবাসী।
2
13
নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, রাজ্যেবাসী এখন থেকে সব কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
3
13
কেন্দ্র যে কোনও প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে। একে বলে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি)।
4
13
এলপিজি সাবসিডি হোক বা স্কলারশিপ হোক বা অন্যান্য প্রকল্পের টাকা এই পদ্ধতিতে সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্কে দেওয়া হয়।
5
13
সরকারের দাবি, এর ফলে দুর্নীতি কমেছে, সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত টাক পৌঁছচ্ছে। এর আগে বহুবার এরকম অভিযোগ উঠেছে যে, মানুষের হাতে টাকা পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। অনেক সময় দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে।
6
13
কী এই ডিবিটি? কীভাবে করতে হয়? এই ব্যবস্থায় আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। এর পাশাপাশি সেই আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সরাসরি লিঙ্ক থাকতে হবে।
এই ডিবিটি করা না থাকলে টাকা আটকে যেতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই অনেকে ব্যাঙ্কে ছুটছেন ডিবিটি করাতে। ব্যাঙ্কে, পোস্ট অফিসে পড়ছে দীর্ঘ লাইন।
9
13
শুধু অফলাইনে নয় অনলাইনেও ডিবিটি লিঙ্ক করা যায়। এনপিসিআই-এর ওয়েবসাইট www.npci.org.in-এ গিয়ে ভারত আধার সিডিং এনরোলমেন্ট অপশনে ক্লিক করলেই আধার সিডিং এবং ডি-সিডিং অপশন আসবে।
10
13
সেখানে আধার নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে নিজের সিডিং স্ট্যাটাস চেক করা যেতে পারে। যদি লিঙ্ক না থাকে তাহলে আধার সিডিং করিয়ে নিন।
11
13
উমঙ্গ অ্যাপে বিষয়টি আরও সোজা। মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করুন। এবার আধার সিডিং অপশনে ক্লিক করে আধার নম্বর, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং ব্যাঙ্কের নাম লিখে ফেলুন। ওটিপি আসলে সেটা লিখে সাবমিট করলেই ডিবিটি লিঙ্ক হয়ে যাবে।
12
13
ডিবিটির মাধ্যমে টাকা না ঢুকলে দেখে নিন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক রয়েছে কি না, এনপিসিআই ম্যাপিং আছে কি না, অ্যাকাউন্ট চালু আছে কি না বা মোবাইল এবং ই-কেওয়াইসি করা আছে কি না।
13
13
অনেক প্রকল্পের ক্ষেত্রে অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে বেনিফিশিয়ারি স্টেটাস দেখা যায়। এছাড়া ব্যাঙ্কের পাসবুক আপডেট করলেও ডিবিটি ক্রেডিট দেখা যায়।