রূপাই ও রেহান সুতপাকে উদ্ধার করতে যায়৷ এই সময় তাঁরা নারীপাচার চক্রের  আসল নেত্রীকে ধরার চেষ্টা করেন৷ অপরাধীকে ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে একে অপরের আরও কাছাকাছি চলে আসে রূপাই আর রেহান৷ 

 এই সময় রেহানের পরিবার বাস ড্রাইভার রূপাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তাকে বারবার অপমান করতে থাকে। কিন্তু ধীরে ধীরে রেহান বুঝতে পারে, রূপাই আসলে একজন খুব ভালো মানুষ, যে নিঃস্বার্থভাবে অন্যদের সাহায্য করতে চায়।  রূপাইয়ের এই উদার ও আত্মত্যাগী মনোভাবের জন্য রেহান মুগ্ধ হয়ে যায় রূপাইয়ের প্রতি৷


অন্যদিকে, রূপাইয়ের পিসি রূপাইকে জোর করতে থাকে বিয়ের জন্য। স্থানীয় স্টেশনারি দোকানের মালিক পঞ্চানন চৌধুরী অর্থাৎ পঞ্চুদার সঙ্গে বিয়েতে রাজি করাতে জোর করতে থাকে৷ পরিবারের কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত রূপাই এই বিয়েতে সম্মতি দেয়।

কিন্তু রেহান জানতে পারে, এই পঞ্চুদাই আসলে পুরো নারীপাচার চক্রের মূল কাণ্ডারী৷ শুধু তাই নয়, রূপাইকে বিয়ে করার পরিকল্পনাটাও ছিল অন্য কারণে৷ বিয়ের পর রূপাইকেও টাকার বিনিময়ে পাচার করে দেওয়ার মতলব ছিল পঞ্চুদার। এই কথা জানতে পারে রেহান৷ 
এখন রেহান কী করবে? সে কি রূপাইকে এই ভয়ঙ্কর ফাঁদ থেকে বাঁচাতে পারবে? নাকি রূপাই এর জীবন অন্ধকারে তলিয়ে যাবে?  রূপাই আর রেহানের ভালোবাসার গল্প কি শেষ পর্যন্ত নতুন রঙ পাবে? তাঁরা কি একসঙ্গে সমাজের বস্তাপচা নিয়মের বিপরীতে গিয়ে নতুন ভালবাসার গল্প বলতে পারবে? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে সান বাংলার পর্দায়৷