আগামী ৪ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফল। ভোটের ফল ঘোষণার আগে দেব দর্শনে পরিচালক, বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে সঙ্গে নিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে গিয়েছিলেন রাজ। নির্বাচনের আবহে ভগবানের আশীর্বাদ চাইতে পুরীতে দম্পতি। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে নিজেদের ছবি ভাগ করে নিয়েছেন রাজ ও শুভশ্রী।
বরাবরই রাজ ও শুভশ্রীকে আধ্যাত্মিক অবতারে দেখেছেন অনুরাগীরা। নতুন কাজের শুরু হোক কিংবা ছেলে-মেয়েদের জন্মদিনে জগন্নাথ আরাধনা করেন এই তারকা-দম্পতি। নিজেদের বাড়িতেই পুজোর আয়োজন করেন রাজ-শুভশ্রী।
এতদিন সরাসরি রাজনীতির ময়দানে দেখা যায়নি টলিউডের 'লেডি সুপারস্টার' শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে। তবে এবার স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তৃণমূলের প্রচারে ব্যারাকপুরের জনসভায় এসেছিলেন শুভশ্রী। শুধু পাশেই থাকলেন না, বক্তৃতাও দিয়েছিলেন তিনি।
ব্যারাকপুরের মঞ্চ থেকে শুভশ্রী বলেছিলেন, “আমি ভীষণ খুশি। সব সময় বলি আমার প্রথম বাড়ি বর্ধমান, দ্বিতীয় বাড়ি কলকাতা এবং তৃতীয় বাড়ি হচ্ছে ব্যারাকপুর। সবাই যেভাবে আমাদের আপন করে নিয়েছেন, তাতে আমি খুবই খুশি।” তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক বিভাজন তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, তাঁর চোখে সবচেয়ে বড় বিষয় রাজের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালবাসা।

প্রসঙ্গত, রাজ চক্রবর্তী ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে রাজের প্রচারে টলিপাড়ার অন্যান্য অভিনেতা, অভিনেত্রীদের দেখা গেলেও ২৬-এর বিধানসভায় প্রথমবার শুভশ্রীকে পাশে নিয়ে জনসমক্ষে এসেছিলেন রাজ চক্রবর্তী।
এই বছর গায়িকা ইমন চক্রবর্তী থেকে শুরু করে পরমব্রত চ্যাটার্জিকে প্রথমবার রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা গেল। নদীয়ার কৃষ্ণনগর দক্ষিণে তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল বিশ্বাসের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় দেখা গিয়েছিল পরমব্রত ও জুন মালিয়াকে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে পরমব্রত বলেছিলেন, "কৃষ্ণনগর দক্ষিণের এই পুণ্যভূমি থেকে আজ ব্যক্তিগতভাবে আমার রাজনৈতিক মঞ্চে যাত্রা শুরু হচ্ছে। এই ভরদুপুরে ধুলো আর রোদ উপেক্ষা করে আসার একটাই কারণ— ২০২৬-এর নির্বাচন শুধুমাত্র ভোট নয়, এটি বাঙালির আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই।" তাঁর দাবি ছিল, পশ্চিমবঙ্গ আজও মহিলাদের জন্য দেশের মধ্যে সবথেকে নিরাপদ জায়গা। ভোটার তালিকা থেকে বৈধ নাম বাদ দেওয়া বা এসআইআর-এর নামে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হেনস্থা করার বিরুদ্ধেও তিনি সরব হয়েছিলেন তিনি।















