টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
আসছে ‘রাগিনী এমএমএস ৩’?
বলিউডের অন্যতম চর্চিত হরর-ইরোটিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘রাগিনী এমএমএস’ কি আবার বড় পর্দায় ফিরতে চলেছে? সম্প্রতি বিনোদন জগতে কান পাতলে এমনটাই শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে ছবির সম্ভাব্য কাস্টিং নিয়ে যে নতুন তথ্য সামনে এসেছে, তাতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে টিনসেল টাউনে। মুম্বই সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘রাগিনী এমএমএস ৩’-এর জন্য নির্মাতারা একগুচ্ছ তারকার কথা ভাবছেন। সব ঠিকঠাক থাকলে এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যেতে পারে সলমন খানের ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মাকে। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করতে পারেন তমন্না ভাটিয়া। তবে চমকের এখানেই শেষ নয়। শোনা যাচ্ছে, আমির খানের ছেলে জুনেইদ খান এবং নার্গিস ফাকরিকেও দেখা যেতে পারে এই ছবিতে। যদিও এখনও পর্যন্ত নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
খাবার টেবিলে মেজাজ হারান অক্ষয়
অক্ষয় খান্নার এক অজানা এবং মানবিক দিকের কথা তুলে ধরেছেন অভিনেতা অমিত বেহল। একটি ছবির শুটিং চলাকালীন এক সহ-অভিনেতার সম্মান রক্ষায় অক্ষয় যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই স্মৃতি রোমন্থন করেন অমিত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, একটি ছবির মূল শিল্পী ও কলাকুশলীরা যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে মধ্যাহ্নভোজ করতে এসেছিলেন এক স্বল্পপরিচিত চরিত্রাভিনেতা, যিনি অন্য একটি সাধারণ হোটেলে থাকছিলেন। অমিত বলেন, "সেই অভিনেতা হোটেলের লাঞ্চ বুফে থেকে যেই না প্রথম গ্রাসটি মুখে তুলেছেন, অমনি প্রযোজকের স্ত্রী বা কোনও এক আত্মীয়র নজরে পড়ে যে তিনি ওই হোটেলের অতিথি নন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য করেন যে, ওই অভিনেতার এই খাবার খাওয়া উচিত নয়। তিনি খাওয়া শুরু করতে না করতেই প্রোডাকশনের একজন এসে বললেন, 'স্যার, আপনি এটা খেতে পারেন না।' অত্যন্ত অপমানিত বোধ করে তিনি নিঃশব্দে প্লেটটি সরিয়ে রেখে একপাশে গিয়ে একা বসে পড়লেন।" অমিত আরও জানান যে, এই ঘটনা দেখে অক্ষয় খান্না চুপ করে থাকেননি। তিনি বলেন, "অক্ষয় সাধারণত খুব কম কথা বলেন। কিন্তু সেদিন তিনি সম্মানের প্রকৃত অর্থ কী, তা নিয়ে অনেক কথা বলেন। সেদিনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে অক্ষয় তাঁর সহ-শিল্পীদের প্রতি কতটা সংবেদনশীল এবং চিন্তাশীল।"
পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনে কিয়ারা?
গত বছর জুলাই মাসে কন্যা সন্তানের মা হন অভিনেত্রী কিয়ারা আদবানি। সম্প্রতি মা হওয়ার পরবর্তী সময়ের (পোস্টপার্টাম) সংগ্রাম নিয়ে মুখ খুলেছেন কিয়ারা। তিনি জানান, এটা ছিল তাঁর জন্য এক বিশাল ‘আইডেন্টিটি শিফট’ বা আত্মপরিচয়ের পরিবর্তন, যার সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর বেশ সময় লেগেছে। কিয়ারা মনে করেন, মা হওয়ার পর মানসিক ও শারীরিক জটিলতা নিয়ে সমাজে যথেষ্ট আলোচনা হয় না, অথচ এ বিষয়ে আরও বেশি কথা বলা উচিত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একজন নতুন মা হিসেবে মহিলারা অন্যদের জন্য এত বেশি কাজ করেন যে, নিজের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা তাঁরা প্রায় ভুলেই যান। এই কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে কিয়ারা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং তাঁর চোখে জল চলে আসে। তিনি বলেন, " মাতৃত্ব একটি বিশাল আত্মপরিচয়ের পরিবর্তন। এটি সম্পূর্ণ নতুন এক জগৎ। আর সেই মুহূর্তে যে মহিলার ওপর দিয়ে এই সময়টা যায়, তাঁর পক্ষে নিজেকে কিছুটা ছাড় দেওয়া বা নিজের প্রতি সদয় হওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সময় লাগে। আমার নিজের ক্ষেত্রে সময় লেগেছে প্রায় ছ'মাস।"















