আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তাঁদের বিয়ের আসর বসবে উদয়েপুরের রাজকীয় আবহে। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিয়ের আগেই তিনি এই তারকা যুগলকে বিয়ের উপহার পাঠালেন।
রশ্মিকা এবং বিজয়কে নরেন্দ্র মোদী যে চিঠি পাঠিয়েছেন বিয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে সেটা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই চিঠিটি যদিও তিনি তারকা যুগলকে উদ্দেশ্য করে নয়, বরং অভিনেতার মা বাবাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে।
নরেন্দ্র মোদী তাঁর চিঠিতে লেখেন তিনি খুবই খুশি ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে চলা বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানার বিয়েতে আমন্ত্রণ জানানোয়। তিনি তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে লেখেন, 'এটি বিজয় এবং রশ্মিকার জীবনের নতুন, সুন্দর অধ্যায়ের সূচনা ঘটছে। এই যুগল একসঙ্গে সাতটি পদক্ষেপ নেবে এবং আজীবনের বন্ধু হবে। বিজয় বা রশ্মিকা কেউই তাঁদের ছবির স্ক্রিপ্টের কাছে নতুন নয়। তবে তাঁদের বাস্তব জীবনের এই অধ্যায়ের স্ক্রিপ্ট ঈশ্বরের লেখা, যা ভালবাসায় পরিপূর্ণ। আর এই অধ্যায় আরও সুন্দর হবে তাঁরা অনস্ক্রিন যে ম্যাজিক তৈরি করেছেন তার থেকে।'

আশীর্বাদ এবং নতুন জীবনের জন্য তাঁদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই আশীর্বাদ বাণী বিশেষ করে সপ্তপদীর গুরুত্ব যেভাবে বুঝিয়েছেন চিঠিতে তাতে মুগ্ধ নেটপাড়া।
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ইতিমধ্যেই উদয়পুর উড়ে গিয়েছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। তাঁদের প্রাকবিবাহ অনুষ্ঠান শুরুও হয়ে গিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বুধবার ছিল তাঁদের গায়ে হলুদ। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসবে বিবাহ বাসর।
তাঁদের বিয়ের কার্ড সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজস্থানের উদয়পুরের একটি হেরিটেজ প্যালেসে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের আসর বসবে। বিয়ের পর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে একটি জমকালো রিসেপশন পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এবার খবর, বিয়ের দিন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে এই জুটি এক কঠোর ‘নো-ফোন পলিসি’ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের মণ্ডপে কোনও অতিথি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকী যাঁরা বিয়ের ছবি ও ভিডিও তুলবেন, সেই পেশাদার ফটোগ্রাফারদের টিমের সঙ্গেও কঠোর আইনি চুক্তি সাক্ষর করা হয়েছে যাতে একটি ছবিও বিয়ের আগে বাইরে না আসে। কোনও প্রকার উপহারের পরিবর্তে বিজয়-রশ্মিকা তাঁদের বন্ধুদের হাতে লেখা চিরকুটে জানিয়েছেন, তাঁদের উপস্থিতি এবং আশীর্বাদই সবচেয়ে বড় উপহার।
