স্বস্তিকা মুখার্জি ও পরমব্রত চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে বারাসাত থানায় লিখিত অভিযোগ করা হল৷ গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আজ বারাসাত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন সনাতনী প্রচার এবং প্রসারের সভাপতি হরিচাঁদ বিশ্বাস।
রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠল অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে ২ মে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়৷ ওইদিন পরমব্রত টুইট করেছিলেন "আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস হিসাবে ঘোষিত হোক।" এই টুইটটি পুনরায় শেয়ার করে স্বস্তিকা মুখার্জি লেখেন," হাহাহা হোক হোক৷"
এর আগে গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন আইনজীবী জয়দীপ সেন৷ অভিযোগকারীর মতে, খ্যাতনামী ব্যক্তিরা এই ধরনের মন্তব্য করলে কার্যত রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হয়৷ এই আচরণ ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় অপরাধ হিসাবে গণ্য হতে পারে৷ গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ জানিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন আইনজীবী জয়দীপ সেন।
গত বৃহস্পতিবার, ২১ মে গড়িয়াহাট থানায় দুই অভিনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। জয়দীপ সেন। শনিবার, ২৩ মে সেই মামলায় গড়িয়াহাট থানায় হাজিরা দিলেন স্বস্তিকা। জানা যাচ্ছে, প্রায় এক ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিনেত্রীকে। উস্কানিমূলক পোস্টের মন্তব্য করার বিষয় নিয়ে মুলত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। স্বস্তিকা হাজিরা দিলেও পরমব্রত থানায় যোগাযোগ করেছিলেন কিনা তা যদিও এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও পরমব্রতর টুইট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছিলেন। তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশ্নের উত্তরে পরমব্রত আজকাল ডট ইন-কে জানিয়েছিলেন, "অন্য কেউ এই ধরনের প্রশ্ন করলে উত্তর দিতাম না৷ তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জনগণের রায়ে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি, সেই পদকে সম্মান জানিয়ে প্রশ্নগুলির উত্তর দিচ্ছি. আমি ২০২১ সালে ওই টুইট করেছিলাম কারণ ২০২১ সালে নিবার্চনের আগে মাননীয় শ্রী দিলীপ ঘোষ শিল্পীদের প্রসঙ্গে একটি কথা বলেছিলেন৷ শিল্পীদের একটু রগড়ে দিলেই হয়৷ সকলেই জানেন আমি কতটা ভাল রগড়াই৷ এই কথায় একজন শিল্পী হিসাবে আমি অপমানিত বোধ করেছিলাম৷ তাই ২০২১ সালে নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পরে আমি টুইটটি করেছিলাম৷"















