এদিন সমাজমাধ্যমে ঋদ্ধি ডোগরা বিয়ে নিয়ে একটি ইঙ্গিতবহ পোস্ট করেন। সেখানে তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, বিয়ে নিয়ে রোমান্টিকতা বন্ধ করতে। কেন? না, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়। বরং তিশা শর্মার মৃত্যু প্রসঙ্গেই এমন লিখেছেন।
দিন দশেক আগে তিশা শর্মাকে রহস্যজনক অবস্থায় তাঁর ভোপালের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারপরই এই বিষয়ে ঋদ্ধি ডোগরা মুখ খুললেন। বিশেষ বার্তা দিলেন মহিলাদের উদ্দেশ্যে। বললেন বিয়ের পরও পুরুষরা প্রেমিকের মতো আচরণ করবে, এমন প্রত্যাশা না রাখতে। বরং বদলে নিজেদের যেন শিক্ষিত করে তোলেন তাঁরা।
এদিন ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে ঋদ্ধি লেখেন, 'দয়া করে বিয়ে নিয়ে রোমান্টিকতা বন্ধ করুন। আপনাদের বাবা মায়েদের সময় গিয়েছে, আর তাঁরা যে সময়, দুনিয়ায় বড় হয়েছেন, সেটাও অতীত। বিয়ে এখন আর এক নেই। ছেলেদের বোঝা উচিত, তাঁরা এখন যা বলবে মেয়েরা চোখ বন্ধ সেটাই এখন করবে না। আইন এখন তাঁদের ক্ষমতা দিয়েছে। তাঁরা এখন চাকরি করে, তাঁদের থাকার জায়গা আছে, উপার্জন করে যাতে স্বাধীন ভাবে সমাজে বাঁচতে পারে। এখন আর বেঁচে থাকার জন্য ওঁদের আপনাদের দেওয়া নির্দেশ মেনে চলার প্রয়োজন নেই। বেঁচে থাকার জন্য মেয়েদের আর বিয়ের প্রয়োজনীয়তা নেই। সঙ্গী দরকার। কিন্তু নির্ভর নয় তাঁরা আর।'
তিনি এদিন আরও লেখেন, ' মেয়েরা দয়া করে এটা আশা করা বন্ধ করো যে তোমাদের প্রেমিক বিয়ের পর প্রিন্স চার্মিং হয়ে যাবে। ওরাও মানুষ ওরাও এই নতুন দুনিয়াকে চিনছে, জানছে, বুঝছে। কোনও রূপকথার গল্প আশা করবেন না। বরং নিজেকে শিক্ষিত করুন। নিজের শর্তে, নিজের মতো বাঁচুন। বেশি প্রত্যাশা রাখবেন না। নিজের জন্য আওয়াজ তুলুন। এমন কাউকে বিয়ে করুন যাকে আপনি ব্যক্তি হিসেবে ভালবাসেন। আর দয়া করে বাবা মায়েদের আপনাদের জীবন থেকে দূরে রাখুন। ভিড় বানাবেন না জীবনকে।
প্রসঙ্গত, ১১ দিন আগে ভোপালের বাড়ি থেকে রহস্যজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তিশা শর্মার দেহ। শুক্রবার ২২ মে গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর স্বামী। তিশার মৃত্যুর পর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ ছিলেন। তিশার পরিবারের দাবি পণের জন্য তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, অন্যদিকে তাঁর শ্বশুর বাড়ির তরফে বলা হচ্ছে, বাবা মায়ের জন্য অবসাদে ভুগছিলেন তিশা। বর্তমানে গোটা বিষয়টা বিচারাধীন।















