কোন আঙুল দিয়ে সিঁথিতে সিঁদুর পরলে সংসারে লক্ষ্মীশ্রী থাকে, কী বলছেন জ্যোতিষীরা?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৩ মে ২০২৬ ১৯ : ০০
শেয়ার করুন
1
11
সিঁদুর শুধু বিবাহিত নারীর পরিচয় নয়, ভারতীয় সংস্কৃতি ও জ্যোতিষশাস্ত্রেও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব রয়েছে৷ বিশ্বাস করা হয়, সিঁদুর নারীর সৌভাগ্য, দাম্পত্য সুখ এবং ইতিবাচক শক্তির প্রতীক।
2
11
জ্যোতিষ মতে, প্রতিটি আঙুলের সঙ্গে নির্দিষ্ট গ্রহ ও শক্তির যোগ রয়েছে, তাই কোন আঙুল দিয়ে সিঁদূর পরছেন তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে৷
3
11
অনামিকা বা রিং ফিঙ্গার দিয়ে সিঁদুর পরা সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। এই আঙুলের সঙ্গে সূর্য ও ইতিবাচক শক্তির সংযোগ রয়েছে বলেন জ্যোতিষীরা৷
4
11
অনামিকা দিয়ে সিঁদুর পরলে মন শান্ত থাকে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং সংসারে শুভ শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে বলেও বিশ্বাস করা হয়। তাই অধিকাংশ ধর্মীয় আচার বা পুজোর সময় এই আঙুল ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
5
11
মধ্যমা আঙুলের সঙ্গেও রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই আঙুলকে আকাশ বা বিস্তারের প্রতীক ধরা হয়।
6
11
অনেক সময় অন্য কাউকে তিলক বা সিঁদুর পরানোর ক্ষেত্রে মধ্যমা ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি আশীর্বাদ, দীর্ঘায়ু ও মানসিক ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
7
11
বিশেষ করে ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা শুভ অনুষ্ঠানে প্রবীণরা এই আঙুল দিয়েই আশীর্বাদস্বরূপ তিলক দেন।
8
11
অন্যদিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি শক্তি, সাহস ও জয়ের প্রতীক। প্রাচীনকালে যুদ্ধে যাওয়ার আগে যোদ্ধাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে তিলক দেওয়া হত।
সিঁদুর পরার ক্ষেত্রে এই আঙুল খুব বেশি ব্যবহৃত হয় না।
9
11
তর্জনী আঙুল পূর্বপুরুষের আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়। তাই জীবিত কাউকে তর্জনী দিয়ে সিঁদুর বা তিলক পরানো অনেক জায়গায় অশুভ বলে ধরা হয়।
10
11
জ্যোতিষ ও আয়ুর্বেদের মতে, কপালের যে স্থানে সিঁদুর বা তিলক পরা হয়, সেটি ‘আজ্ঞা চক্র’-এর অংশ। এই জায়গায় চাপ পড়লে মনোসংযোগ বাড়ে, মানসিক চাপ কমে এবং ইতিবাচক শক্তি সক্রিয় হয় বলেও বিশ্বাস রয়েছে।
11
11
তাই অনেকের কাছে সিঁদুর শুধুই সাজ নয়, বরং এক ধরনের আধ্যাত্মিক অনুশীলনও। আধুনিক সময়ে অনেকেই এই রীতিকে শুধুই সংস্কৃতি বা ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে দেখেন। তবুও ভারতীয় ঐতিহ্যে সিঁদুরের গুরুত্ব আজও অটুট।