৮ জানুয়ারি। জীবনের নতুন বছরে পা রেখেছেন নুসরত জাহান। সবচেয়ে কাছের দুই মানুষের সঙ্গে বিশেষ দিনটি কাটালেন নায়িকা। শহর থেকে দূরে, প্রকৃতির মাঝে অবসর যাপন। শুটিংয়ের ব্যস্ততা থেকে দূরে নিজের মতো করে সময় কাটালেন। সঙ্গে ছিল দুই পোষ্যও।
স্বামী যশ দাশগুপ্ত এবং ছেলে ঈশানের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্তগুলি লেন্সবন্দি করলেন নুসরত। জন্মদিনে কাটলেন গোলাপি কেকও। সেই সব ছবি ভাগ করে নিলেন অনুরাগীদের সঙ্গে। লেখেন, ‘আমার জন্মদিনে পাঠানো প্রতিটি শুভেচ্ছা, ভালবাসার কথা এবং ভাবনার জন্য আমার হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরে আছে। আমি আপনাদের ভালবাসা সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলি। আপনাদের আশীর্বাদ ও উষ্ণতা যেন এভাবেই পাই, সেই প্রার্থনাই করি। আমার দিনটিকে এত সুন্দর, অর্থবহ এবং সত্যিই বিশেষ করে তোলার জন্য ধন্যবাদ।’
নুসরতের জীবনে বিতর্কের ঘনত্ব কম নয়। তবুও অনুরাগীরা জন্মদিনে শুভেচ্ছা আর ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁকে। সহকর্মীরাও তাঁদের স্নেহ ও সম্মান প্রকাশ করেছেন। স্বামী যশও এই বিশেষ দিনে কোনও ত্রুটি রাখেননি। নুসরতের জন্মদিনের সকালে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও কোলাজ পোস্ট করেছেন। আর সেখানেই উঠে এসেছে তাঁদের একাধিক অদেখা মুহূর্ত। বাদ যায়নি ‘আনফিল্টার্ড’ নুসরত। ভিডিওয় কোথাও জলের পাশে বসে অভিনেত্রীকে মাছি তাড়াতে দেখা গিয়েছে, তো কোথাও জুতোয় চুমু খেতে। রয়েছে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদ খাওয়ার মুহূর্ত। যশ, নুসরতের একান্ত যাপনের টুকরো ছবিও ধরা পড়েছে অভিনেত্রীর জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তার ভিডিওতে।
এই কোলাজ পোস্ট করে যশ তার ক্যাপশনে স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘একসঙ্গে পৃথিবীর বিরুদ্ধে লড়াই থেকে শুরু করে কখনও কখনও একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করেছি, আর তারপরেও একে অন্যকে বেছে নিয়েছি। হাসি, ঝগড়া, উন্নতি, সবই সিলেবাসের অংশ। শুভ জন্মদিন আমার পছন্দের কনস্ট্যান্ট এবং সব থেকে বাধ্যতামূলক ব্যাঘাত। ইউনিভার্স তোমার সহায় থাকুক।’
তাঁদের নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। প্রেম থেকে দাম্পত্য, সংসার, নুসরত এবং যশকে বরাবরই ঘিরে থেকে হাজার প্রশ্ন। মাঝে শোনা গিয়েছিল, নায়ক-নায়িকার সম্পর্কের সুতোয় টান পড়েছে। ছাদ আলাদা হয়েছে দু’জনের। তবে সে সবকে তোয়াক্কা না করেই নিজেদের শর্তে বাঁচছেন তাঁরা। ১০ অক্টোবর ছিল যশের তাঁকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর মনের মানুষ।
যশের জন্য ইনস্টাগ্রামে মিষ্টি একটি পোস্ট করেছিলেন নুসরত। জীবনের একসঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্তরা বন্দি সেখানে। দেশ-বিদেশ বেড়ানো থেকে সদ্যোজাত সন্তানকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি, ভালবাসার মন্তাজে তোলা রইল সবই। যশের উদ্দেশ্যে নুসরত লিখলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে একসঙ্গে লড়াই করা থেকে শুরু করে… এখন একে অপরের সঙ্গেই লড়াই করছি (তবুও টিকে আছি)… পেট ফেটে হাসা থেকে শুরু করে… এখন একে অপরকে আঘাত দেওয়া, আমরা ঝুট-ঝামেলা করতে ওস্তাদ হয়ে গিয়েছি!! আমার ‘মাথাব্যথা’র প্রিয় কারণের জন্য… তোমার বিশেষ দিনে আমার একটাই কামনা, সুখ, শান্তি আর সাফল্যে ভরে উঠুক তোমার জীবন। শুভ জন্মদিন! তুমি যেন আকাশ ছুঁয়ে তারারও ওপারে পৌঁছে যাও…’।
