অভিনেত্রীর উপর প্রকাশ্যে হামলা!
মহারাষ্ট্রের পানভেলে দিনের আলোয় ঘটে যাওয়া এক শিহরণ জাগানো ঘটনায় তোলপাড় গোটা বিনোদন দুনিয়া। জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ইনফ্লুয়েন্সার জন্নত জুবেইর এবং তাঁর ভাই আয়ান জুবেইর-এর উপর প্রকাশ্যে হামলা এবং হাইওয়েতে তাঁদের ধাওয়া করার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার, ১৫ মার্চের এই ঘটনাকে ঘিরে ছড়িয়েছে তীব্র উদ্বেগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দিনদুপুরে আচমকাই পরিস্থিতি ভয়াবহ মোড় নেয়, এবং এক পর্যায়ে গাড়ি নিয়ে তাড়া করার মতো ঘটনাও ঘটে।এই ঘটনার পরপরই জন্নতের টিম একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে জানায়, দুই ভাইবোন এখন নিরাপদে রয়েছেন এবং বড় ধরনের কোনও আঘাত লাগেনি। একই সঙ্গে অনুরাগীদের উদ্দেশে আবেদন জানানো হয়েছে—অযাচিত গুজব বা অনুমানের বদলে শুধুমাত্র অফিসিয়াল তথ্যের উপর ভরসা রাখতে।ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য বা অভিযুক্তদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে সেলিব্রিটিদের নিরাপত্তা নিয়ে। বিশেষ করে দিনদুপুরে এমন দুঃসাহসিক আক্রমণ ঘিরে আতঙ্ক বাড়ছে শিল্পমহলে। ‘লাফটার শেফস’-খ্যাত এই তারকার পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থনের বার্তা দিচ্ছেন বহু ভক্ত ও সহকর্মী।
ফের কবীরের ছবিতে কার্তিক?
আরও এক অনুপ্রেরণার গল্প নিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন পরিচালক কবীর খান। তাঁর নতুন ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জোর জল্পনা—কাশ্মীরের কিকবক্সিং তারকা তাজমুল ইসলাম-এর জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি হতে চলেছে একটি বায়োপিক।
খবর, এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে কার্তিক আরিয়ান-কে। পরিচালক ও অভিনেতার এই নতুন জুটি ঘিরে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলিউড মহলে।তাজামুল ইসলাম আন্তর্জাতিক স্তরে নজর কেড়েছিলেন, যখন তিনি কায়রোতে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে প্রথম কাশ্মীরি মেয়ে হিসেবে দেশকে গর্বিত করেন। বান্দিপোরার ছোট্ট গ্রাম থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠে আসার এই যাত্রা লড়াই, জেদ এবং আত্মবিশ্বাসের এক বিরল উদাহরণ।এই গল্পকেই এবার বড় ক্যানভাসে তুলে ধরতে চাইছেন কবীর খান। তাঁর ছবিতে মানবিক আবেগ এবং বৃহৎ পরিসরের মেলবন্ধন আগেও দেখা গিয়েছে এইট্টি থ্রি বজরঙ্গি ভাইজান-এর মতো ছবিতে। ফলে এই বায়োপিকেও সেই ছন্দ-ই থাকবে, এমনটাই মনে করছে ইন্ডাস্ট্রি।খবরে আরও জানা গিয়েছে, এই ছবিতে কার্তিক আরিয়ানকে দেখা যেতে পারে কোচের ভূমিকায়। রোম্যান্টিক কমেডির গণ্ডি ছাড়িয়ে বাস্তবভিত্তিক গল্পে কাজ করার ঝোঁক তাঁর আগেও দেখা গিয়েছে চন্দু চ্যাম্পিয়ন-এর মতো প্রজেক্টে।
এই ছবিতে উঠে আসতে পারে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে থেকেও খেলোয়াড়দের লড়াই, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার গল্প এবং কীভাবে সমস্ত বাধা ভেঙে আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছিলেন তাজামুল।
অক্ষয়ের ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা
এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় শোনালেন শিউরে ওঠার মতো এক অভিজ্ঞতা—যা নাকি ঘটেছিল তাঁরই পুরনো বাড়িতে। অভিনেতার কথায়, সেই বাড়িতে থাকাকালীন প্রায়ই অস্বস্তিকর কিছু অনুভব করতেন তাঁর স্ত্রী টুইঙ্কল খান্না। তিনি বারবার বলতেন, বাড়ির ভিতরে যেন ‘কিছু একটা’ আছে। যদিও শুরুতে বিষয়টি একেবারেই গুরুত্ব দেননি অক্ষয়। বরং স্ত্রীর কথাকে উড়িয়েই দিতেন তিনি। অক্ষয়ের কথায়, “আমার স্ত্রী আমাকে বলত, ‘এখানে কিছু একটা আছে।’ আমি বলতাম, ‘তুমি এত শিক্ষিত, এভাবে কী করে ভাবছ!’ কিন্তু ও জোর দিয়ে বলত, ও নাকি বাড়ির ভিতরে একজন মহিলার হাঁটার শব্দ শুনেছে।”ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে, যখন তাঁদের ছেলে আরভ-এর আচরণ আচমকাই বদলে যায়। তখন তার বয়স মাত্র চার-পাঁচ বছর।
অভিনেতা জানান, একদিন তাঁর ছেলে হঠাৎ শুয়ে থাকা অবস্থায় সামনে কোথাও আঙুল দেখিয়ে বলতে শুরু করে, “এখানে থাকো না, চলে যাও।” “আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, কার সঙ্গে কথা বলছ? কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমিও হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম,” দাবি অক্ষয়ের।এই ঘটনার পরই পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। টুইঙ্কল তখন বলেন, “দেখলে তো! আমি আগেই বলেছিলাম, এখানে কেউ আছে। এখন তোমার ছেলেও তার সঙ্গে কথা বলছে।”এই অভিজ্ঞতা সত্যিই অতিপ্রাকৃত কিছু ছিল, নাকি নিছক মনের ভুল তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও, অক্ষয়ের এই বর্ণনা ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে অনুরাগীদের মধ্যে।
&t=643s
