জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'কুসুম'। টিআরপি তালিকায় ক্রমশ উপরের দিকে উঠছে এই মেগা। আর এই ধারাবাহিকেই নাম ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তনিষ্কা তিওয়ারিকে। এই বছর তিনি সিবিএসই ক্লাস ১০ -এর পরীক্ষা দিলেন। কেমন হল রেজাল্ট? একদিকে ধারাবাহিকের কাজের চাপ, অন্যদিকে পড়াশোনার চাপ, সবটা কীভাবে ব্যালেন্স করতেন, খোঁজ নিল আজকাল ডট ইন। 

এদিন তনিষ্কাকে ফোন করা হলে তাঁর মা ফোন ধরেন। জানান অভিনেত্রীর আজ আউটডোর শুটিং আছে। মেয়ে পরীক্ষায় কেমন ফল করেছে জিজ্ঞেস করতেই তনিষ্কার মা গর্ব সহকারে জানান, "গত ১৫ এপ্রিল রেজাল্ট বেরিয়েছে। ওদিন ওর শুট ছিল। সন্ধ্যাবেলা জানতে পারি। গত ২ মাস ধরে খুব স্ট্রাগল করেছে। ২-৩ ঘণ্টার বেশি ঘুম হয়নি। ১৪ ঘণ্টা করে শুট করেছে, ৭৯ শতাংশ নম্বর পেয়েছে। দু'টো বিষয়ে লেটার পেয়েছে, ইতিহাস ও ইংরেজি।" 

আগামীতে তনিষ্কার কী নিয়ে পড়ার ইচ্ছে? 'কুসুম'-এর মা বললেন, "হিউম্যানিটিজ (আর্টস) নিয়ে পড়বে। পরবর্তীকালে ফিল্ম স্টাডিজ নিয়ে পড়ার ইচ্ছে ওর। আজ ওর স্কুলে গেছিলাম। রাতে ফিরলে সিদ্ধান্ত নেবে যে সাব্জেক্ট কম্বিনেশন কী নেবে।" 

একদিকে শুটিংয়ের চাপ, তার সঙ্গে বোর্ডস এক্সাম। সবটা কীভাবে সামলেছিল তনিষ্কা? "ও ছোট থেকেই পড়া আর সিরিয়াল সমান্তরাল ভাবে করে এসেছে, ফলে ছোট থেকেই দেখে এসেছি ও মুখস্থ খুব তাড়াতাড়ি করে। ওর কোনও টিচার ছিল না। যেহেতু শুটিংয়ের জন্য সময় দিতে পারত না, কেবল মাসের দ্বিতীয় রবিবার ছুটি, তাই গৃহশিক্ষক ছিল না। খালি অঙ্ক ভয় পেত বলে, অঙ্কের একজন টিচার ছিলেন, উনি ওই সেকেন্ড সানডে করে আসতেন পড়াতে। বাকি ও নিজেই ইউটিউব দেখে, বিভিন্ন চ্যানেলে স্যার, ম্যামেরা যে নির্দেশ দিতেন সেগুলো দেখে পড়ত, নিজেই নোটস বানাত। শুটিংয়ে দুই সেকেন্ড সময় পেলেও ও বই নিয়ে বসে পড়ত। শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে পড়াশোনা করে নিত।" 

প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহে 'কুসুম' ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকায় ছয় নম্বরে আছে। পেয়েছে ৪.৬ নম্বর। বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্পে দেখানো হচ্ছে আয়ুষ্মান কুসুমকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার পর সে নাকচ করে দেয়। কিন্তু নায়ক একই সঙ্গে বোঝে যে কুসুমও তাকে ভালবাসে, হতে পারছে না। তাই ফন্দি আঁটে নায়িকাকে দিয়ে সেই কথা স্বীকার করানোর জন্য। এই বিষয়ে বুদ্ধি দেয় নায়কের ভাই। বলে কুসুমকে জ্বালাতে, যাতে সে হিংসার চোটে নিজের মনের কথা বলে ফেলে। আয়ুষ্মান কুসুমকে জানায় সে একজনের প্রেমে পড়েছে, আর সে তার সঙ্গে দেখা করতে চাইছে। এটা শুনেই হিংসায় জ্বলতে থাকে কুসুম। আগামীতে কী হয় সেটাই দেখার। 

">