বিরাট চমক আসতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো'য়। ইতিমধ্যেই গল্পে দেখা গিয়েছে লাজু কলেজের হোস্টেল পেয়ে গিয়েছে। লাজু আর থাকবে না অনুভবদের বাড়িতে। আর অনুভব সেটা মন থেকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। এদিকে, বনলতা সুদেবকে উসকে তাদের বাড়ির লোককে অনুভবের বিরুদ্ধে কথা বলতে বলতে সে। লাজুকে গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলে বনলতা। বনলতার কথা শুনে সুদেব ও তার বাড়ির লোক কলকাতায় এসে অনুভবের বাড়িতে হুলস্থুল কাণ্ড বাঁধায়। 

সম্প্রতি, প্রকাশ্যে আসা নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে সুদেব ও তার বাবা-মা কলকাতার এক থানায় এসেছে। অনুভবের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ সে নাকি লাজুকে জোর করে আটকে রেখেছে আর তার মাথায় খারাপ বুদ্ধি দিচ্ছে। অনুভব সুদেবকে সাবধান করে। কিন্তু কেউই থামবার পাত্র নয়। তাই প্রতিবাদ করে ওঠে লাজু। সে পুলিশকে জানায় যে, সে সাবালিকা। আর সে কলেজের হোস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করবে। কেউ তার পড়াশোনা বন্ধ করতে পারবে না, তার স্বামীও নয়।

লাজুর মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় সুদেব। সে ভাবতেই পারে না, লাজু তার বিরুদ্ধে কথা বলবে। এবার কী হবে? রাজু কি পারবে নিজের সিদ্ধান্তে টিকে থাকতে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে। 

এতদিনে সুদেব একটু একটু করে বুঝতে পেরেছে যে লাজবন্তীর জীবনে তার জায়গাটা ফিকে হয়ে এসেছে। সেই জায়গায় এখন এসেছে অনুভব। এই কথা বুঝতে পারলেও এতদিন চুপ করেই ছিল সুদেব। চেষ্টা করছিল লাজুকে মানিয়ে নিয়ে সংসার করার।‌ কিন্তু সুদেবের সংসারে আর কিছুতেই মন টেকে না লাজুর। দিনরাত সে শুধু পড়াশোনা আর অনুভবের কথাই ভাবতে থাকে। 

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল, লাজুকে অনুভব কলেজ থেকে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে যায়। লাজু তাকে ধন্যবাদ জানায়। এদিকে, লাজুকে অনুভবের গাড়ি থেকে নামতে দেখে বেজায় চটে যায় সুদেব। সে লাজুকে জিজ্ঞাসা করে কার সঙ্গে বাড়ি ফিরেছে সে? লাজু কথা ঘোরাতে গেলে রাগের মাথায় সুদেব তাকে এক চড় মারে। লাজু সুদেবের এই রূপ দেখে তাকে আরও কথা শোনায়। সুদেবের মা এসে জানায় লাজুকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া উচিত। লাজুও ভয় না পেয়ে জানিয়ে দেয়, সুদেবের সঙ্গে সে আর থাকবে না, চলে যাবে। সেই মতো লাজু কলকাতায় ফিরে কলেজে হোস্টেলের জন্য আবেদন করে। শেষমেশ কী হতে চলেছে তার সঙ্গে? ডাক্তারি পড়া হবে তো তার? নাকি ফিরতে হবে সুদেবের সংসারেই?