কপিল শর্মা সদ্যই ঘোষণা করেছেন তাঁর জনপ্রিয় কমেডি শো 'দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো'য়ের পঞ্চম সিজন। এবার জানা গেল, এই শোয়ের পাশাপাশি, অভিনেতা কপিলকে আরও একবার পেতে চলেছেন দর্শক। তবে বড়পর্দায় নয়। ওয়েব দুনিয়ায়।
জানা গিয়েছে একটি জনপ্রিয় ওটিটি মাধ্যমে নতুন ওয়েব সিরিজ নিয়ে আসছেন কপিল শর্মা। মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। কোন প্ল্যাটফর্মে? নেটফ্লিক্সে। যদিও এই সিরিজের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য এখনই প্রকাশ্যে আনতে চান না নির্মাতারা। তাই বিশেষ রাখঢাকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদিও সূত্রের তরফে জানা গিয়েছে এটি একটি কমেডি ঘরানার সিরিজ হতে চলেছে। মার্চ মাসে শুরু হবে সিরিজের শুটিং। ভারতের বাইরে চলবে এই প্রজেক্টের কাজ।
এই প্রজেক্ট ছাড়া, ইতিমধ্যেই নেটফ্লিক্সের তরফে কপিল শর্মার আসন্ন ছবি 'দাদি কী শাদি'র স্ট্রিমিং রাইটস কিনে নেওয়া হয়েছে। এই ছবিতে কপিল শর্মা ছাড়াও থাকবেন নিতু সিং, ঋদ্ধিমা কাপুর, সাইদা খতিব, প্রমুখ। আশিষ আর মোহন ছবিটির পরিচালনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, কপিল শর্মাকে দর্শক শেষবার 'কিস কিস কো পেয়ার করুন ২' ছবিতে দেখেছেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বড়পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। কিন্তু বক্স অফিসে একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়ে। বিন্দুমাত্র ব্যবসা করতে পারেনি 'ধুরন্ধর' ঝড়ের মাঝে। এরপর আবার ৯ জানুয়ারি মুক্তি পায়। তাতেও একই অবস্থা বহাল থাকে ছবিটির ব্যবসার। 'কিস কিস কো পেয়ার করুন ২' ছবিটি অনুকল্প গোস্বামী পরিচালন করেছিলেন। এখানে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন মনজ্যোত সিং, হীরা ওয়ারিনা, ত্রিধা চৌধুরী, পারুল গুলাটি, আয়েশা খান, প্রমুখ। অন্যদিকে চলছে কপিল শর্মার শোয়ের চতুর্থ সিজন। সেখানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া থেকে শুরু করে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিমের সদস্য, কার্তিক আরিয়ান, শাহিদ কাপুর, প্রমুখ এসেছেন। আগামীতে আসবেন মাধুরী দীক্ষিত, জ্যাকি শ্রফ, প্রমুখ।
প্রসঙ্গত এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ইন্টারভিউতে কপিল শর্মা জানিয়েছেন, তাঁর জীবনযাত্রা মোটেই মসৃণ ছিল না। সাফল্যের শিখর থেকে ব্যক্তিগত শোক, বিতর্ক, সব কিছুর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। এমন অনেক সময় এসেছে, যখন মনে হয়েছে তাঁর কেরিয়ার বুঝি থেমে যাবে। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জীবনের নানা ওঠাপড়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কপিল।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কপিল বলেন, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের আলাদা সৌন্দর্য আছে। তাঁর কথায়, “শৈশব ছিল একরকম। বাবা যখন বেঁচে ছিলেন, জীবন ছিল অন্য রকম। ২০০৪ সালে বাবাকে হারানোর পর সব কিছু ওলটপালট হয়ে যায়। পরে টেলিভিশনে আবার সুযোগ পাই, ধীরে ধীরে সব ঠিক হতে শুরু করে। ৩৬ বছর বয়সে প্রবল ডিপ্রেশনে ভুগেছি। একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম। অনেকেই বলেছিল, ‘ওর সব শেষ।’ তারপর বিয়ে করলাম, শো আবার শুরু হল, ৩০০-রও বেশি পর্ব করলাম।”
