কালরাত্রি কেটেছে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলে! বৌভাতের সকাল হতেই আবার সারাক্ষণ একসঙ্গে কাঞ্চন মল্লিক-শ্রীময়ী চট্টরাজ। ৪ ফেব্রুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিত হয়েছে বৌভাতের যাবতীয় আচার। এদিন নবদম্পতি লালরঙা পোশাকে রংমিলন্তি। আজকাল ডন ইনকে উদযাপনের খুঁটিনাটি জানিয়েছেন শ্রীময়ী। তাঁর কথায়, ‘‘বৌভাতের অনুষ্ঠান পালনের জন্য নতুন পোশাক পরতে হয়। তাই কাঞ্চন এদিন লাল পাঞ্জাবি বেছে নিয়েছে। আগেই কেনা ছিল। আমি ওর সঙ্গে রং মিলিয়ে লাল শাড়িতে সেজেছি।’’ সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না।
শ্রীময়ীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পরে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম। তারপরেই নাকি বাজারে বেরিয়ে গিয়েছিলেন কাঞ্চন। নিজে দেখেবেছে সাত রকমের মাছ কিনে এনেছেন। বৌভাতের দিন যাতে আমন্ত্রিতরা তৃপ্তি করে খেতে পারেন। শ্রীময়ী বলেছেন, ‘‘সকালে থেকেই সাজগোজে ওর উপস্থিতি। কখনও হার পরিয়ে দিয়েছে। কখনও সাজ ঠিক হয়েছে কিনা সেটা দেখেছ। অন্যান্য বাড়িতে যেভাবে ভাত-কাপড়ের অনুষ্ঠান নেওয়া হয় সেভাবেই আমার শ্বশুরবাড়িতেও উদযাপন হয়েছে। বর আমার ভাতের দায়িত্ব নিয়েছে। আমি বরকে খাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিলাম।’’ শপথ বিনিময়ের আগে কাঁসার থালা-বাটিতে ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, মাছের মুড়ো, পায়েস, মিষ্টি সাজিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে নতুন শাড়ি। থালা সমেত এই উপকরণ শ্রীময়ীর হাতে তুলে দেন কাঞ্চন।
বিকেলে কী হবে? অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সিঁদুর পরানোর পর যে লজ্জাবস্ত্র দিয়ে তাঁর মুখ ঢাকা হয়েছিল সেই রানিরঙা বেনারসিতে সাজবেন। এবং এই দিন তিনি নিজের হাতে রেঁধে সবাইকে খাওয়াবেন! শ্রীময়ীর দাবি, ‘‘দুই পরিবার পাঁঠার মাংস খেতে খুব ভালবাসে। আমি তাই ঠিক করেছি নিজের হাতে মাংস রাঁধব। ওঁরা আমার রাঁধা মাটন চেটেপুটে খান।’’ মাটন কষা ছাড়াও থাকবে মাটন বিরিয়ানি, চাটনি, পাঁপড়, মিষ্টি। বাকি রান্না রাঁধবেন রাঁধুনি।
শ্রীময়ীকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পরে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম। তারপরেই নাকি বাজারে বেরিয়ে গিয়েছিলেন কাঞ্চন। নিজে দেখেবেছে সাত রকমের মাছ কিনে এনেছেন। বৌভাতের দিন যাতে আমন্ত্রিতরা তৃপ্তি করে খেতে পারেন। শ্রীময়ী বলেছেন, ‘‘সকালে থেকেই সাজগোজে ওর উপস্থিতি। কখনও হার পরিয়ে দিয়েছে। কখনও সাজ ঠিক হয়েছে কিনা সেটা দেখেছ। অন্যান্য বাড়িতে যেভাবে ভাত-কাপড়ের অনুষ্ঠান নেওয়া হয় সেভাবেই আমার শ্বশুরবাড়িতেও উদযাপন হয়েছে। বর আমার ভাতের দায়িত্ব নিয়েছে। আমি বরকে খাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিলাম।’’ শপথ বিনিময়ের আগে কাঁসার থালা-বাটিতে ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, মাছের মুড়ো, পায়েস, মিষ্টি সাজিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে নতুন শাড়ি। থালা সমেত এই উপকরণ শ্রীময়ীর হাতে তুলে দেন কাঞ্চন।
বিকেলে কী হবে? অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সিঁদুর পরানোর পর যে লজ্জাবস্ত্র দিয়ে তাঁর মুখ ঢাকা হয়েছিল সেই রানিরঙা বেনারসিতে সাজবেন। এবং এই দিন তিনি নিজের হাতে রেঁধে সবাইকে খাওয়াবেন! শ্রীময়ীর দাবি, ‘‘দুই পরিবার পাঁঠার মাংস খেতে খুব ভালবাসে। আমি তাই ঠিক করেছি নিজের হাতে মাংস রাঁধব। ওঁরা আমার রাঁধা মাটন চেটেপুটে খান।’’ মাটন কষা ছাড়াও থাকবে মাটন বিরিয়ানি, চাটনি, পাঁপড়, মিষ্টি। বাকি রান্না রাঁধবেন রাঁধুনি।
















