নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে যখন গোটা পৃথিবী আনন্দে মেতে উঠেছে, তারকারাও একে একে জানিয়েছেন শুভেচ্ছা। সেই তালিকায় এবার যোগ হলেন অভিনেতা জিতু কামাল। তবে অভিনেতার শুভেচ্ছা জানানোর পোস্টে ধরা পড়ল তাঁর নিজস্ব ছন্দ। সেই পোস্টের মধ্যে ফুটে উঠেছে সন্তানের প্রতি মায়ের অপত্য স্নেহ ও ভালবাসা তা যেকোনও বড় তারকা কিংবা বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের থেকে নয়া বছর শুরুর শুভেচ্ছা পাওয়ার থেকে বেশি দামি। ও মন ভাল করা। জিতু হয়তো বলতে চেয়েছেন, নতুন বছরের প্রথম দিনে মায়ের আদরের, স্নেহের উষ্ণতা-ই হল নতুন বছরের সবথেকে বড় শুভেচ্ছাবার্তা।  

 

ফেসবুকের পাতায় ঠিক কী লিখেছেন জিতু? অভিনেতা লিখেছেন, 

“বলেনি, বলেনি মাইকেল চেকব আমাকে,
বলেনি হ্যাপি নিউ ইয়ার। 
কনস্টান্টিন স্টানিসলাভস্কি আমাকে হ্যাপি নিউ ইয়ার উইশ করে নি। 
চ্যাপলিনের কোনও ভঙ্গিতে ছিল না কোন উষ্ণতার চিহ্নটুকু।
এর্নেস্টও গেভারা দে লা সেরনারও মেসেজ আসে নি।
রবীন্দ্রনাথও আমাকে এক টুকরো চিঠি পাঠায় নি, 
বিদ্রোহী কবি ফোন টুকু পর্যন্ত করেনি। 

তারই মাঝে মা সকাল থেকে বলে চলেছে-
“খাবি তো কিছু,আরে সন্ধ্যেবেলা বাড়িতে আছিস, 
কী রান্না করে দেবো, বল”

কোনও মানে হয়!!”


(পোস্টের বানান অপরিবর্তিত রাখা হল। )

 

অভিনেতার পোস্ট হৃদয় ছুঁয়েছে বহু নেটিজেনের। কেউ লিখলেন, " বিশ্বের মহানরা অনুপ্রাণিত করেন কিন্তু বেঁচে থাকার ব্যবস্থা মা-ই করে। কারণ মা-ই তো সবথেকে বেশি নির্ভরযোগ্য শেষপর্যন্ত। সে যে জীবনদাত্রী।" কেউ বা লিখলেন, “পৃথিবীর সব নাম, সব কণ্ঠ, সব শুভেচ্ছার ঊর্ধ্বে একটা ডাক আজও বেঁচে রয়েছে- ‘মা’। যে ডাকে বছর বদলানোর কোনও হিসেবে নেই, আছে শুধু নিঃস্বার্থ ভালবাসা। সে ডাকের নাম, মা।”

 

 

 

জিতু কামালকে আগামীতে ‘এরাও’ মানুষ ছবিতে দেখা যাবে। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে তাঁর বিপরীতে। গত মাসে শুটিং শুরু হয়েছে সেই ছবির। এই ছবির শুটিং চলাকালীনই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে।