বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি ‘অগ্নিযুগ: দ্য ফায়ার’-এর মুকুটে নতুন পালক। প্রবীণ পরিচালক-অভিনেতার ছবিতে অভিনয় করছেন জ্যাকি শ্রফ। একই সঙ্গে বাবার পরিচালনায় অভিনয় করবেন মেয়ে শম্ভাবী চট্টোপাধ্যায়ও। আজকাল ডট ইনকে পরিচালক জানিয়েছেন, বহুদিনের স্বপ্নপূরণ হচ্ছে তাঁর। দেশের প্রতি সম্মান জানাতেই এই ছবি। জ্যাকি, শম্ভাবী ছাড়াও রয়েছেন ধর্মেন্দ্র, অনুপম খের, মধু, দক্ষিণের নতুন প্রতিভা, পাঞ্জাব ও বিদেশের প্রচুর অভিনেতা।
অনুপম খের ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’, ধর্মেন্দ্র ‘লালা লাজপত রাই’। ‘ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সায়গল’-এর ভূমিকায় ‘রোজা’র মধু। বহু বিপ্লবী, স্বাধীনতা সংগ্রামীর আত্মত্যাগ দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। তাঁদের কথা কতজন মনে করে? দেশাত্মবোধক গান, দেশপ্রেমিকদের প্রতি বরাবর আগ্রহী প্রবীণ পরিচালক-অভিনেতা। নিজেও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার তিনি সেই গল্প তুলে ধরেছেন। প্রযোজনায় তাঁর স্ত্রী ইরা চট্টোপাধ্যায়।
ছবিটি একাধিক ভাষায় রচিত হবে। যেমন, তামিল, তেলুগু, মালায়লম ছাড়াও বিদেশি ভাষা ইংরেজিতেও ডাব হবে। কুমার শানুর কণ্ঠে শোনা যাবে কবিগুরুর বিখ্যাত গান, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’। রবীন্দ্রনাথের উপরে গানটি ব্যবহৃত হবে। আরও নানা দৃশ্যেও শোনা যাবে গানটি। গানের অর্থ একলা চলার মন্ত্রই ছবিতে ধ্বনিত হবে। থাকবে জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ড এবং কবিগুরুর ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ। এছাড়াও আবহে ব্যবহার করা হবে ‘বন্দেমাতরম’, ‘কদম কদম বাঢ়ায়ে যা’র মতো গান। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের পুজো অথবা বড়দিনে মুক্তি পেতে পারে। বহু বছর পরে পরিচালনায় ফিরে উৎসাহে টগবগিয়ে ফুটছেন। কথায় কথায় বলেছেন, ‘‘আমার দিনরাত এখন ছবির প্রস্তুতিতেই কাটছে। যেন নতুন করে বাঁচছি। এই উন্মাদনা টাটকা অক্সিজেন জোগাচ্ছে আমায়।’’
অনুপম খের ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’, ধর্মেন্দ্র ‘লালা লাজপত রাই’। ‘ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সায়গল’-এর ভূমিকায় ‘রোজা’র মধু। বহু বিপ্লবী, স্বাধীনতা সংগ্রামীর আত্মত্যাগ দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। তাঁদের কথা কতজন মনে করে? দেশাত্মবোধক গান, দেশপ্রেমিকদের প্রতি বরাবর আগ্রহী প্রবীণ পরিচালক-অভিনেতা। নিজেও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার তিনি সেই গল্প তুলে ধরেছেন। প্রযোজনায় তাঁর স্ত্রী ইরা চট্টোপাধ্যায়।
ছবিটি একাধিক ভাষায় রচিত হবে। যেমন, তামিল, তেলুগু, মালায়লম ছাড়াও বিদেশি ভাষা ইংরেজিতেও ডাব হবে। কুমার শানুর কণ্ঠে শোনা যাবে কবিগুরুর বিখ্যাত গান, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’। রবীন্দ্রনাথের উপরে গানটি ব্যবহৃত হবে। আরও নানা দৃশ্যেও শোনা যাবে গানটি। গানের অর্থ একলা চলার মন্ত্রই ছবিতে ধ্বনিত হবে। থাকবে জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ড এবং কবিগুরুর ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ। এছাড়াও আবহে ব্যবহার করা হবে ‘বন্দেমাতরম’, ‘কদম কদম বাঢ়ায়ে যা’র মতো গান। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের পুজো অথবা বড়দিনে মুক্তি পেতে পারে। বহু বছর পরে পরিচালনায় ফিরে উৎসাহে টগবগিয়ে ফুটছেন। কথায় কথায় বলেছেন, ‘‘আমার দিনরাত এখন ছবির প্রস্তুতিতেই কাটছে। যেন নতুন করে বাঁচছি। এই উন্মাদনা টাটকা অক্সিজেন জোগাচ্ছে আমায়।’’
















