টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

বিয়ে করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলাম: মৌনী 

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিয়ের স্বপ্ন দেখতেন মৌনি রায়! এক পুরনো সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, খুব অল্প বয়স থেকেই তিনি প্রেম আর সংসার নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ ছিলেন। এমনকি তিনি মজা করে বলেছিলেন, “আমি তখনই বিয়ে করতে মরিয়া ছিলাম!”  সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরে শিলমোহর দিয়েছেন মৌনী নিজেই৷ বিচ্ছেদের সময়ে ফের ভাইরাল হয়েছে মৌনীরর সেই পুরনো মন্তব্য। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দু’জনের একে অপরকে আনফলো করা, একসঙ্গে ছবি মুছে ফেলা এবং ব্যক্তিগত জীবনে দূরত্বের খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। যদিও মৌনি প্রকাশ্যে অনুরোধ করেছেন, তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে “ভুয়ো গল্প” না ছড়াতে এবং তাঁকে কিছুটা ব্যক্তিগত পরিসর দিতে। ২০০৬ সালে টেলিভিশন দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মৌনী৷  আজ বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ। 

মাধুরীর জন্মদিনে নতুন ছবিমুক্তির ঘোষণা 


মাধুরী দীক্ষিত ও তৃপ্তি ডিমরি অভিনীত নতুন ছবি 'মা-বেহেন' নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৪ জুন। আজই ছবিমুক্তির ঘোষণা করা হয়েছে মাধুরীর ৫৯তম জন্মদিনে, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। ছবির গল্পে দেখা যাবে এক মধ্যবিত্ত পরিবারের অদ্ভুত পরিস্থিতি। রান্নাঘরে হঠাৎ একটি মৃতদেহ! তারপর এই ঘটনায় জড়িয়ে গেল নানা মিথ্যে, বিশৃঙ্খলা। মাধুরী ও তৃপ্তির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন রবি কিষাণ এবং ধরনা দুর্গা।
সুরেশ ত্রিবেণী পরিচালিত এই ছবি পরিবার, সমাজ ও বেঁচে থাকার লড়াইকে তুলে ধরবে একেবারে অন্য মেজাজে।


বিচ্ছেদের পরেও খুশি ছিলাম: পূজা বেদী

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, একটি রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে বিয়ে করার পর তাঁকে অভিনয়জগৎ থেকে সরে আসতে হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে বিয়ে করেন পূজা। সেই সময় খ্যাতির শীর্ষে ছিলেন, কিন্তু সংসারের জন্য তিনি স্বেচ্ছায় অভিনয় ছেড়ে দেন। তবে বিচ্ছেদকে তিনি কখনও ব্যর্থতা হিসেবে দেখেননি। বরং তাঁর কথায়, “আমি যেমন বিয়েতে খুশি ছিলাম, তেমনই ডিভোর্সের পর খুশি ছিলাম।” প্রায় এক দশকের দাম্পত্যের পর ২০০৩ সালে আলাদা হন তাঁরা। তবুও আজও প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে পূজার। পূজা আরও জানান, ছোটবেলায় নিজের বাবা-মায়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ বিচ্ছেদ দেখেই তিনি শিখেছিলেন, সম্পর্ক শেষ হলেও সম্মান ও বন্ধুত্ব বজায় রাখা সম্ভব। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে সাহস জুগিয়েছে।