টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

আমি অভিনেতা নই, আমার ফলোয়ার নেই: কানওয়ারজিৎ 

কানওয়ারজিৎ পেন্টলের এক মন্তব্য ভাইরাল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে বলিউডে জনপ্রিয়তার মানদণ্ড নিয়ে। 'সাত্তে পে সত্তা', 'বাওয়ার্চি'-তে অভিনয় করা এই প্রবীণ অভিনেতা মজার ছলে দাবি করেছেন—তিনি নাকি “অভিনেতা নন”! কারণ ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার নেই। ভিডিওতে দেখা যায়, এক সহ-অভিনেতা তাঁকে প্রশ্ন করেন তিনি কি অভিনেতা? উত্তরে তিনি বলেন, “না”, কারণ তাঁর ইনস্টাগ্রামে কোনও ফলোয়ার নেই। এই মন্তব্যটি আসলে ছিল একটি ব্যঙ্গ, যেখানে তিনি বর্তমান ইন্ডাস্ট্রির বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন—এখন অনেক ক্ষেত্রেই অভিনয় দক্ষতার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।  আজকের দিনে ভালো অভিনেতা হতে গেলে অভিনয় নয়, বরং ফলোয়ার বাড়ানোই বেশি জরুরি। এই সমস্যার প্রতিও ইঙ্গিত করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা৷ 


বেশি জুম করবেন না: করিশ্মার ভিডিও ভাইরাল 


বলিউড অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তিনি পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি রিয়ালিটি শোয়ের সেটের বাইরে ছবি তোলার সময় তিনি শান্তভাবে ফটোগ্রাফারদের বলেন-  "বেশি জুম করবেন না"। নাচের একটি রিয়েলিটি শোতে বিচারকের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে করিশ্মাকে৷ অনেকেই মনে করছেন, পাপারাজ্জিদের অতিরিক্ত জুম বা অনুপযুক্ত অ্যাঙ্গেলে ছবি তোলা নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন করিশ্মা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু ব্যবহারকারী তাঁর এই আচরণকে সমর্থন করেছেন এবং বলেছেন, এমন কথা বলার প্রয়োজনই হত না যদি না ভুলভাবে ছবি তোলা হত৷ 

শৈশবে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ

সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ সম্প্রতি তাঁর শৈশবের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। তাঁর ছোটবেলা কেটেছে পারিবারিক অশান্তি ও গার্হস্থ্য হিংসার মধ্যে। তিনি জানান, তাঁর বাবা প্রায়ই তাঁর মাকে মারধর করতেন—এমনকি একবার মারতে গিয়ে তাঁর মায়ের দাঁত পর্যন্ত ভেঙে দেন। এই ঘটনাগুলো তিনি নিজের চোখের সামনে দেখেছেন, যা তাঁর মনে গভীর প্রভাব ফেলে। 
পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে যখন তাঁর বাবা একটি দুর্ঘটনার পর দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। তখন পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তাঁর মা—চাকরি করে সংসার চালান এবং পরবর্তীতে নিজের ব্যবসাও গড়ে তোলেন। 
তবুও, বাবার মানসিক পরিবর্তন ও হিংসাত্মক আচরণ পরিবারে অশান্তি বাড়িয়ে দেয়। আশ্চর্যের বিষয়, এত কষ্টের পরও সিদ্ধার্থ জানিয়েছেন, তিনি কখনও বাবাকে ঘৃণা করেননি।