টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমাগরম খবর কী?

অশোভন প্রশ্ন গিরিজাকে

অভিনেত্রী গিরিজা ওক দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে বিনোদন জগতে কাজ করলেও চলতি মাসের শুরুতে একটি ভাইরাল সাক্ষাৎকার ভিডিও তাঁকে রাতারাতি ‘ন্যাশনাল ক্রাশ’-এ করে তোলে। মারাঠি এবং হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত এই অভিনেত্রী হঠাৎ পাওয়া খ্যাতি এবং তার বিড়ম্বনা নিয়ে মুখ খুলেছেন।

একটি সাক্ষাৎকার থেকে গিরিজার কিছু ছবি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়, যেখানে নেটিজেনরা তাকে ‘ইন্ডিয়ার সিডনি সুইনি’ বলে সম্বোধন করেন এবং ‘নতুন ন্যাশনাল ক্রাশ’ তকমা দেন। এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গিরিজা বলেন, “কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল এই খ্যাতি পাওয়ার পর কিছু বদলেছে কি না। আমি বললাম, না, আমার কাছে অতিরিক্ত কোনও কাজের অফার আসছে না।”

৩৭ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী খ্যাতি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও জানান। তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তিনি বহু অস্বস্তিকর বার্তা পাচ্ছেন। তাঁর কথায়, “কেউ লিখেছে, ‘আমি তোমার জন্য কিছু করতে পারি, একটা সুযোগ দাও।’ কেউ আবার সরাসরি আমার ‘রেট’ জানতে চেয়েছে। প্রশ্ন করছে ‘এক ঘণ্টা কাটানোর দাম কত?’ এমন অসংখ্য বার্তা রয়েছে। এই মানুষগুলো বাস্তবে আমাকে দেখলে চোখ তুলেও তাকাবে না। আড়ালে লুকিয়ে মানুষ সব বলতে পারে। সামনে আসলে সকলেই ভদ্রতা দেখায়। এটা এক অদ্ভুত জগৎ। এই ভার্চুয়াল পরিসরকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত, তা নিয়ে একটা বড় আলোচনা হতে পারে।”

প্রাণে বাঁচতে পালান সেলিনা

সেলিনা জেটলি তাঁর স্বামী, অস্ট্রিয়ার ব্যবসায়ী পিটার হাগের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা করেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর আইনজীবী বিবাহিত জীবনে সেলিনা যে নানা ধরনের নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগের পাশাপাশি আইনজীবীর দাবি, সেলিনাকে আর্থিকভাবেও প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রণ করা হতো। পিটার এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেননি।

সেলিনা মুম্বইয়ের এক আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে তিনি পিটার হাগের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা সংক্রান্ত আইনের আওতায় অত্যাচার, প্রভাব খাটানো, জোরজবরদস্তি এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ এনেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তার আইনজীবী নীহারিকা করঞ্জেওয়ালা বলেন, “সেলিনা পালিয়ে ভারতে ফিরতে বাধ্য হয়েছিলেন। হাতেগোনা কিছু জিনিসপত্র নিয়ে। তিনি তখন তাঁর সন্তানদের আনতে পারেননি। আশঙ্কা করেছিলেন, তাঁর স্বামী তাকে অপহরণের অভিযোগে ফাঁসাতে পারেন। যা তাঁর সন্তানের হেফাজতের মামলায় একটা বড়সড় ক্ষতি করতে পারত।”

নীহারিকা আরও জানান যে, তাঁদের বিয়ের সময় সেলিনার কেরিয়ার ভালই চলছিল, কিন্তু পিটার তাঁকে কাজ করতে দেননি। “তিনি তাঁকে কাজ করতে বাধা দিতেন,” বলেন আইনজীবী। তাঁর দাবি, সেলিনা এখন ক্ষতিপূরণ চাইছেন কারণ পিটারের জন্য কাজ না করতে পারায় তাঁর আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। অভিনয়জীবন ছেড়ে দেওয়ার ফলে তাঁর রোজগারে ভাটা পড়ে।

আফসোস নেই কুনিকার

‘বিগ বস ১৯’ থেকে সদ্য বাদ পড়েছেন কুনিকা সদানন্দ। এবার আরও একবার প্রকাশ্যে গায়ক কুমার শানুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী।। তিনি জানিয়েছেন, এই সম্পর্ক নিয়ে তাঁর কোনও আফসোস নেই।

কুনিকা আগেই স্বীকার করেছেন যে কুমার শানু বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি গায়কের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে কুনিকা বলেন, “কুমার শানুজি  হোন বা অন্য কেউ— আমার সম্পর্কগুলোর দিকে ফিরে তাকালে মাঝে মাঝে খারাপ লাগে, মনে হয় তাঁরা যদি এখন আমার জীবনে থাকতেন! কারণ আমি এখন অনেকটাই পরিণত। তখন আমি নিজের ভিতরের নানা ঝড় সামলাচ্ছিলাম—শৈশবের সমস্যা, ব্যক্তিগত ট্রমা, বিয়ে ভাঙার দুঃখ, মুম্বইয়ে নতুন করে জীবন গড়ার সংগ্রাম—সবকিছু মিলিয়ে আমার ভিতর এক অস্থিরতা ছিল। সেই অবস্থায় সম্পর্কগুলো ওদের জন্যও কঠিন ছিল নিশ্চয়ই… কিন্তু আমার জীবনে কোনও কিছুরই আফসোস নেই। একদমই না।”