রাণা সরকারের প্রযোজনায় মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিক 'গুনগুন করে মহুয়া'য় প্লেব্যাক করবেন দেবলীনা নন্দী। এই খবর আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। দেবলীনার নতুন ইনিংস শুরুর খবরে প্রশংসায় ভরিয়েছিলেন তাঁর অনুরাগীরা। এবার জানা যাচ্ছে, বায়োপিকে শুধুমাত্র গানের দায়িত্বেই থাকবেন না দেবলীনা। টলিপাড়ার অন্দরের খবর, ছবিতে তাঁকে অভিনয় করতেও দেখা যাবে।
সূত্রের খবর, মহুয়া রায়চৌধুরীর দিদির চরিত্রে দেখা যাবে দেবলীনাকে। 'মহুয়া'র তরুণীবেলার চরিত্রে থাকবেন অভিনেত্রী দিব্যাণী মণ্ডল ও প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রীকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক। ইতিমধ্যেই দেবলীনা তাঁর চরিত্রের শুটিং শুরু করেছেন। কেরিয়ারের এই নতুন ইনিংস দারুণভাবে কাটাচ্ছেন তিনি।
মহুয়ার বাবা 'নীলাঞ্জন রায়চৌধুরী'র চরিত্রে দেখা যাবে লোকনাথকে। অভিনেত্রীর বাবা খুবই সাধারণ একজন মানুষ ছিলেন। মধ্যবিত্তের সংসারে নানা চিন্তার মধ্যেও মেয়ের স্বপ্নকে মরতে দেন না তিনি। মহুয়ার নাচের প্রতি আগ্রহ দেখে তিনিই তাঁকে স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। ছাপোষা এই মধ্যবিত্ত বাঙালিকেই বড়পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চলেছেন লোকনাথ দে।
এছাড়াও অভিনেতা, পরিচালক তথাগত মুখার্জিকে দেখা যাবে 'মহানায়ক' উত্তমকুমারের চরিত্রে। 'গুনগুন করে মহুয়া' ছবিতে অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত থাকছেন ক্যামেরার পিছনে।
প্রসঙ্গত, বছরের শুরুতেই খবরের শিরোনাম কেড়েছিলেন দেবলীনা নন্দী। গায়িকার আত্মহত্যার চেষ্টা সমাজমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময় দেবলীনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেক কাটাছেঁড়া চলেছিল। তবে সবকিছুকে পিছনে ফেলে আবার নতুন জীবন শুরু করেছেন গায়িকা। কিন্তু কিছুদিন আগেই আবার 'মন খারাপ'-এর বার্তা দিয়েছিলেন দেবলীনা।
সমাজমাধ্যমে দেবলীনা লিখেছিলেন, 'সত্যি কারের বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। প্রকৃত বন্ধু সেই যে বার বার সাহায্য করে কথা শোনায় না। যে বাইরের লোকের কাছে তোমার বদনাম করে না। যে একটা সাহায্যের গল্প বাইরের হাজারটা লোকের কাছে বলে বেড়ায় না। যে নিজের অপছন্দের লোকেদের সাথে কথা বলতে বারণ করে কিন্তু আবার নিজের সুবিধা মতো নিজেই সেখানে ঘটি ডোবায় না। আমার দূর্ভাগ্য এই যে এইরূপ প্রকৃত বন্ধু আমার কেউ নেই। যে বা যারা আছে বেশিরভাগ লোক দেখানো,মহান সাজার জন্য সবার কাছে ,আর আমার খারাপ সময়ে আরও আমাকে মাটির তলায় ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো কাজ করেও ভুল কখনও বুঝতে পারে না, বা মানেও না,উল্টে নিজের কাজের জন্য নিজেকে দোষী না করে অন্য সবাই কে দোষী বলে। সে আর কিই বা বন্ধু।' (পোস্টের সমস্ত বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।)
কিন্তু এই পোস্টে কোন বন্ধুকে ইঙ্গিত করেছিলেন দেবলীনা? যদিও কারওর নাম উল্লেখ করেননি তিনি। দেবলীনার কাছের বন্ধুদের মধ্যেই কি কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তাঁর সঙ্গে? এই নিয়েই প্রশ্ন উঠছিল নেটপাড়ায়।















