দুষ্কৃতীদের করা অত্যাচারের মানসিক যন্ত্রণা সবেই যখন মিঠি ভুলতে শুরু করেছিল সেই সময়ই হঠাৎই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুরু হয় নাগাড়ে বমি করা। বাধ্য হয়ে কমলিনী এবং তার বাড়ির লোক মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছোটে সে গর্ভবতী সন্দেহ করে। এদিকে কৃশানুর বাড়ির লোক তাদের বাড়িতে আসে বিয়ের কথা বলতে। তার বাড়ির লোক তো বটেই, কৃশানু নিজেই জানে না এই কথা। সব জানাজানি হওয়ার পর কি শেষ পর্যন্ত কি বিয়েটা হবে তার মিঠির সঙ্গে?
সম্প্রতি চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আনা হয়েছে 'চিরসখা' ধারাবাহিকের। সেখানেই দেখা যাচ্ছে কৃশানু তার বাড়ির লোকজন নিয়ে কমলিনীদের বাড়ি এসেছে। এদিকে ফের অসুস্থবোধ করতে শুরু করে সে। মনে মনে বলে ফের বমি পাচ্ছে তার। আর মিঠির চোখ মুখ দেখেই কৃশানুর বাড়ির লোক বোঝে যে কিছু হয়েছে। জানতে চায় কী সমস্যা। জবাবে কমলিনী বলে ওঠে, তাঁর মেয়ে অসুস্থ। কিন্তু বৃষ্টি কি এত সহজে ছাড়ে, অশান্তি পাকানোর সুযোগ পেয়ে? জানিয়ে দেয়, বিগত কিছু দিন ধরেই মিঠি বমি করছে। আর সেই সময়ই মিঠি ছুটে বাথরুমে যায়। তবে কি এবার তার বিয়ের আগেই গর্ভবতী হওয়ার কথা জেনে যাবে কৃশানুর বাড়ির লোক? আদৌ কি এই বিয়ে হবে? দুষ্কৃতীদের অত্যাচারের কথা জেনেও মিঠিকে মেনে নিলেও, সন্তান আসার কথা জেনেও কি নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকবে সে? মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে কমলিনী? জবাব আগামী পর্বে পাওয়া যাবে।
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, বাবিলের বউভাতের দিন থেকেই অসুস্থ মিঠি। এরপর তাকে গাইনোকলজিস্টের কাছে নিয়ে গিয়েছিল বাড়ির লোক। স্বতন্ত্র এই ডাক্তারকে ঠিক করে দেয় যাতে কৃশানুকে দেখাতে না হয় মিঠিকে। ভাগ্যক্রমে, সেখানে কৃশানুর সঙ্গেই দেখা হয় ওদের। কিন্তু মিঠি যে অসুস্থ বা গর্ভবতী সেই কথা তাকে জানানো হয় না। লুকিয়ে যায় সকলে। শেষ পর্যন্ত এমন খবর চাপা থাকে, নাকি ঝড় তোলে সেটাই দেখবার।
প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহে 'চিরসখা' ধারাবাহিক আবারও সেরা ১০ এ টিআরপি তালিকায় নিজেকে ধরে রেখেছে। তবে নম্বর বেশ অনেকটাই কমেছে। 'চিরসখা' ধারাবাহিকটি স্টার জলসার পর্দায় সম্প্রচারিত হয়। এটি রোজ রাত ৯টা থেকে দেখা যায়। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন অপরাজিতা ঘোষ দাস এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়।
