সংবাদ সংস্থা মুম্বই: অভিনেতা হওয়ার আগে দীর্ঘদিন সহকারী পরিচালক হিসাবে বলিপাড়ায় নিজেকে ঘষামাজা করেছিলেন রণবীর কাপুর। সঞ্জয় লীলা বনশালির সহকারী পরিচালক হিসাবে 'ব্ল্যাক' ছবিতে কাজ করেছিলেন তিনি। তারও আগে করেছিলেন বাবা ঋষি কাপুরের ছবিতে। ১৯৯৯ সালে বড়পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ঋষি কাপুর পরিচালিত ছবি 'আ অব লৌট চলে'। সে ছবির প্রধান সহকারী পরিচালক ছিলেন ঋষি-পুত্র। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গ উঠলে রণবীর জানান, অভিনেতা হিসাবে 'দুরন্ত' কিন্তু পরিচালক হিসাবে ততটা দড়ের ছিলেন না তাঁর বাবা ঋষি কাপুর।
রণবীরের কথায়, " 'আ অব লৌট চলে' নামে কি ছবিতে সহকারী পরিচালকের কাজ করেছিলাম। কি ছবি পরিচালনা করেছিলেন আমার বাবা ঋষি কাপুর। সেই অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে আমার ব্যক্তিগত অভিমত, অভিনেতা হিসেবে দুরন্ত ছিলেন তিনি। তবে পরিচালক হিসেবে তেমন ভালো ছিলেন না। এর অন্যতম কারণ তাঁর মেজাজ। অল্পতেই মাথা গরম হয়ে যেত তাঁর"।
রণবীর আরও বলেন, " ছবিতে পরিচালকের কাজটা সবথেকে কঠিন। সবথেকে স্বার্থহীন। কারণ, একজন পরিচালক সবার কাজটা সামলান কিন্তু তার জন্য নিজে কোনও বাহবা কুড়োন না। কোনও ছবির শুটিং সেটে পরিচালকই প্রধান কর্তা এবং তাঁর কথাই শেষ কথা। মানে, সেটের ছোট ছোট বিষয়ে হাত দেওয়ার আগে পরিচালকের অনুমতি প্রয়োজন। তাঁর নির্দেশ ছাড়া কিচ্ছুটি এদিক থেকে ওদিক হওয়ার জো নেই। তাই ছবির সমস্ত বিভাগের কর্মীরা পরিচালকের অনুমতি নিতে আসেন। এককথায়, ছবির শুটিংয়ে পরিচালকই ঈশ্বরের মতো। ভীষণ ধৈর্যশীল হওয়া প্রয়োজন এক্ষেত্রে। আমার বাবা ঠিক সেরকম ছিলেন না"।
প্রসঙ্গত, বহু বছর আগে ছোটপর্দায় সিমি গ্রেওয়ালের টক শোতে এসে ঋষি কাপুরের বদ মেজাজি স্বভাবের কথা শোনা গিয়েছিল 'আ অব লৌট চলে'র নায়ক অক্ষয় খান্নার মুখে। তুমি যখন অক্ষয়কে বলেন যে তার এই চ্যাট শো এর একটি পর্বে এসে ঋষি কথায় কথায় তাকে জানিয়েছেন যে অক্ষয়ের নাকি ব্যবহারে সমস্যা রয়েছে। শোনামাত্রই হাসতে হাসতে অক্ষয় পাল্টা বলে ওঠেন, "ওঁরও রয়েছে সেটা"।
যদিও পরবর্তী অক্ষয় খান্না জানিয়েছিলেন মাথা গরম স্বভাব বের হলেও মানুষ হিসাবে অত্যন্ত ভালো ঋষি কাপুর। ওঁর পরিচালনায় কাজ করে বেশ ভাল লেগেছে তাঁর। এখানেই না থেমে অক্ষয় আরও জানিয়েছিলেন, শুধু ঋষিই নয়, গোটা কাপুর পরিবার অত্যন্ত ভাল। তাঁরা প্রত্যেকে দারুণ মানুষ।
রণবীরের কথায়, " 'আ অব লৌট চলে' নামে কি ছবিতে সহকারী পরিচালকের কাজ করেছিলাম। কি ছবি পরিচালনা করেছিলেন আমার বাবা ঋষি কাপুর। সেই অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে আমার ব্যক্তিগত অভিমত, অভিনেতা হিসেবে দুরন্ত ছিলেন তিনি। তবে পরিচালক হিসেবে তেমন ভালো ছিলেন না। এর অন্যতম কারণ তাঁর মেজাজ। অল্পতেই মাথা গরম হয়ে যেত তাঁর"।
রণবীর আরও বলেন, " ছবিতে পরিচালকের কাজটা সবথেকে কঠিন। সবথেকে স্বার্থহীন। কারণ, একজন পরিচালক সবার কাজটা সামলান কিন্তু তার জন্য নিজে কোনও বাহবা কুড়োন না। কোনও ছবির শুটিং সেটে পরিচালকই প্রধান কর্তা এবং তাঁর কথাই শেষ কথা। মানে, সেটের ছোট ছোট বিষয়ে হাত দেওয়ার আগে পরিচালকের অনুমতি প্রয়োজন। তাঁর নির্দেশ ছাড়া কিচ্ছুটি এদিক থেকে ওদিক হওয়ার জো নেই। তাই ছবির সমস্ত বিভাগের কর্মীরা পরিচালকের অনুমতি নিতে আসেন। এককথায়, ছবির শুটিংয়ে পরিচালকই ঈশ্বরের মতো। ভীষণ ধৈর্যশীল হওয়া প্রয়োজন এক্ষেত্রে। আমার বাবা ঠিক সেরকম ছিলেন না"।
প্রসঙ্গত, বহু বছর আগে ছোটপর্দায় সিমি গ্রেওয়ালের টক শোতে এসে ঋষি কাপুরের বদ মেজাজি স্বভাবের কথা শোনা গিয়েছিল 'আ অব লৌট চলে'র নায়ক অক্ষয় খান্নার মুখে। তুমি যখন অক্ষয়কে বলেন যে তার এই চ্যাট শো এর একটি পর্বে এসে ঋষি কথায় কথায় তাকে জানিয়েছেন যে অক্ষয়ের নাকি ব্যবহারে সমস্যা রয়েছে। শোনামাত্রই হাসতে হাসতে অক্ষয় পাল্টা বলে ওঠেন, "ওঁরও রয়েছে সেটা"।
যদিও পরবর্তী অক্ষয় খান্না জানিয়েছিলেন মাথা গরম স্বভাব বের হলেও মানুষ হিসাবে অত্যন্ত ভালো ঋষি কাপুর। ওঁর পরিচালনায় কাজ করে বেশ ভাল লেগেছে তাঁর। এখানেই না থেমে অক্ষয় আরও জানিয়েছিলেন, শুধু ঋষিই নয়, গোটা কাপুর পরিবার অত্যন্ত ভাল। তাঁরা প্রত্যেকে দারুণ মানুষ।
















