দুর্ঘটনার কবলে আশিস বিদ্যার্থী এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রূপালি বড়ুয়া। গৌহাটিতে একটি পথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে খবর। শুক্রবার রাতে শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা জু রোডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, যা অসমজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
সূত্রের খবর, গীতানগর থানার আওতাধীন একটি হোটেলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাতের খাওয়া সেরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আশিস ও রূপালি। সেই সময় চাঁদমারির দিক থেকে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আসা একটি অ্যাভেঞ্জার মোটরবাইক আচমকাই তাঁদের ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই দু’জনেই আহত হন।
জানা গিয়েছে, ধাক্কার তীব্রতায় শুধু তারকা-দম্পতিই নয়, বাইক আরোহীও গুরুতরভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই দ্রুত পুলিশে খবর দেন। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
শনিবার ইনস্টাগ্রামে লাইভে এসে নিজের এবং স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন আশিস। অভিনেতা জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী রূপালি দু’জনেই নিরাপদে আছেন এবং ভাল আছেন। শুধুমাত্র সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে রূপালিকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি নেই বলেই তিনি আশ্বস্ত করেন।
লাইভ ভিডিওতে আশিস বলেন, তাঁর আঘাত খুবই সামান্য। তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে, দাঁড়াতে এবং কথা বলতে পারছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর পুলিশ থেকে মোটরবাইক আরোহীর অবস্থার খোঁজও নিয়েছেন তিনি। পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে, ওই বাইকচালক জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় আশিস বিদ্যার্থী বলেন, “অনেক সংবাদমাধ্যমে নানা রকম খবর দেখে আপনাদের জানাতে চাই, গতকাল রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি বাইক আমাদের ধাক্কা মারে। আমি আর রূপালি দু’জনেই ভাল আছি। রূপালিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, সব ঠিক আছে। আমারও খুব ছোট একটা চোট লেগেছে মাত্র। আমি পুরোপুরি সুস্থহাঁটছি, দাঁড়াচ্ছি, কথা বলছি, সবই স্বাভাবিক।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু এটুকু জানাতেই আমি লাইভে এসেছি যে ঘটনাটি ঘটেছিল ঠিকই, কিন্তু আমরা দু’জনেই ভাল আছি। এই নিয়ে অতিরঞ্জিত বা চাঞ্চল্যকর কিছু করার কোনও কারণ নেই। আমি পুলিশকে বাইকচালকের অবস্থার কথাও জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরও জ্ঞান ফিরে এসেছে। সকলের জন্যই আমার শুভকামনা। আপনাদের জানাতে চাই, সবকিছু ঠিক আছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এই ভিডিওটি শেয়ার করুন, যাতে সবাই জানতে পারেন আমরা সুস্থ আছি। আপনাদের ভালবাসা ও শুভেচ্ছা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমাদের পরিবার ও কাছের মানুষজন পাশে আছেন, আর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মীরাও খুব ভালভাবে আমাদের দেখভাল করছেন। সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”
