রবিবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন আশা ভোঁসলে। ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি সঙ্গীত শিল্পী। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া গোটা বিশ্বে। প্রবাদপ্রতিম শিল্পীকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ উদিত নারায়ণ।
এদিন আজকাল ডট ইন-কে উদিত নারায়ণ বলেন, “আমি স্তম্ভিত। খবরটা পেয়ে খুব খারাপ লাগছে। বিশ্বাস করতে পারছি না। ওনার মতো শিল্পী আর হবে না। বিশ্বজুড়ে তাঁর গান, গানের স্টাইল সবই অনন্য ছিল। উনি যে আর নেই ভাবতেই পারছি না।”
প্লেব্যাক থেকে অ্যালবাম, আশা ভোঁসলের সঙ্গে জুটি বেঁধে বহু গান গেয়েছেন উদিত নারায়ণ। কেমন অভিজ্ঞতা ছিল তাঁর? বর্ষীয়ান গায়িকার মৃত্যুতে স্মৃতির পাতা উল্টে উদিত বলেন, “আশাজি বেশ মজার মানুষ ছিলেন। যখনই দেখা হত হাসি-ঠাট্টা, মজা করতেন। সবসময় খুবই প্রাণোচ্ছ্বল মুডে থাকতেন।”
একইসঙ্গে গায়কের সংযোজন, “আমি দেখলাম উনি সোমবার পারফরম্যান্স করেছেন। ওনার মতো কেউ হবে না। মহিলা গায়িকা হিসেবে তিনি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাস।”
বরাবরই আশা ভোঁসলকে নিজের সঙ্গীতের কেরিয়ারে পাথেয় মনে করেছেন উদিত নারায়ণ। তাঁর কথায়, “আমি ওনাকে খুবই অ্যাডমায়ার করি। কখনও ভাবিনি মুম্বই যাবো, আশা জি-র সঙ্গে গান গাইব। ঠাকুরকে অনেক ধন্যবাদ। আশা জি-র সঙ্গে অনেক গান করেছি। যার মধ্যে কিছু গান অজীবন থেকে যাবে।”
স্মৃতিচারণা করে উদিত আরও বলেন, “আশা জি-র জায়গা কেউ নিতে পারবে না। তিনি যা করে গিয়েছেন কেউ করতে পারবেন না। ইতিহাসের একটা চ্যাপ্টার শেষ হয়ে গেল। আমি ওনাকে সবসময় মিস করব।”
প্রসঙ্গত, ১১ এপ্রিল, শনিবার দুপুরের দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে আশা ভোঁসলকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে ছিলেন। জানা গিয়েছিল, বর্ষীয়ান গায়িকার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতেই তাঁকে তড়িঘড়ি আইসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টদের একটি বিশেষজ্ঞ দল তাঁর চিকিৎসা করছিলেন। কিন্তু চেষ্টা বিফলে। না ফেরার দেশে আশা ভোঁসলে। ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক ড. প্রতীত সামদানি তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
















