২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি অরিজিৎ সিং হঠাৎ সমাজমাধ্যমের পাতায় ঘোষণা করেন সিনেমার গান আর তিনি গাইবেন না৷ প্রিয় গায়কের আচমকা অবসর ঘোষণা করায় অনুরাগীদের মধ্যে মনখারাপ এবং প্রশ্নের ভিড়৷
কেবল অনুরাগী নয়, টলিউড, বলিউডে খ্যাতনামী ব্যক্তিরাও অরিজিৎ- এর এই সিদ্ধান্তে অবাক হয়ে যান৷
যখন একদিকে সমাজমাধ্যম উত্তাল অরিজিৎ- এর অবসরের খবর ঘিরে, তখন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ছোট্ট শহর জিয়াগঞ্জে নীরবে চলছিল আরও ব্যক্তিগত এক গল্প। এখানেই অরিজিৎ সিংহের জন্ম, বেড়ে ওঠা—এবং এখনও তিনি এখানেই থাকেন৷ কাজের সূত্রে বাইরে গেলেও বারবার ফিরে এসেছেন জন্মভূমিতে৷
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে অরিজিতের বাবা সুরিন্দর সিংহ জানিয়েছিলেন, কীভাবে বহু বছর আগে তাঁদের পরিবার পশ্চিমবঙ্গে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।
অরিজিৎ- এর জন্মের অনেক আগেই সিংহ পরিবার প্রশ্চিমবঙ্গে আসেন৷
অরিজিৎ এর বাবা জানিয়েছিলেন, তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ছিল লাহোরের কাছে। দেশভাগের পর অরিজিৎ সিংহের ঠাকুরদা এবং ঠাকুরদার তিন ভাই লালগোলায় চলে আসেন৷
দেশভাগের সময় অসংখ্য পরিবারের মতো তাঁদেরও ছিন্নমূল হতে হয়েছিল৷ ভিটেমাটি স্মৃতি সবকিছু ফেলে নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়েছিল। পেশায় তাঁরা কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। সব হারিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসে কঠোর পরিশ্রম করে ঘরবাড়ি তৈরি করা থেকে নিজেদের জীবনে আবার স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনেন৷
