টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমাগরম খবর কী?
অক্ষয়-টুইঙ্কলের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন
ব্যক্তিগত জীবনের এক বিশেষ মাইলফলক উদযাপন করলেন অক্ষয় কুমার। স্ত্রী টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে ২৫ বছরের দাম্পত্য পূর্ণ করলেন অভিনেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইঙ্কলের একটি মজার নাচের ভিডিও ভাগ করে নেন অক্ষয়, যেখানে ধরা পড়েছে তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব আর নির্ভার আনন্দ। ভিডিওর সঙ্গে দীর্ঘ আবেগঘন বার্তায় উঠে এসেছে তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা এবং হাসি-ঠাট্টায় ভরা দাম্পত্যের গল্প।
পোস্টে অক্ষয় লেখেন, ‘২০০১ সালের এই দিনটায় যখন আমাদের বিয়ে হয়েছিল, তখন ওর মা আমাকে বলেছিলেন, ‘বাবা, অদ্ভুত সব পরিস্থিতিতেও হেসে উঠতে প্রস্তুত থেকো, কারণ সেরকমই কাজ করবে।’ ২৫ বছর পেরিয়ে বুঝেছি, আমার শাশুড়ি কখনও মিথ্যা বলেননি।” এরপর রসিকতার সুরে তিনি যোগ করেন, ‘ওঁর মেয়ে সোজা হয়ে হাঁটতেও রাজি নয়… জীবনের পথে সে নাচতে নাচতেই এগোতে ভালবাসে।’
হাসির ইমোজি জুড়ে তিনি লেখেন, ‘এই পাগলামি আমরা দু’জনেই ভালোবাসি।’ বার্তার শেষে আবেগের ছোয়া। তাঁর কথায়, ‘প্রথম দিন থেকে পঁচিশতম বছর পর্যন্ত, সেই নারীর জন্য চিয়ার্স, যে আমাকে হাসায়, ভাবায়, আর মাঝেমধ্যে একটু চিন্তায়ও ফেলে দেয়! শুভ বিবাহবার্ষিকী, টিনা।’
‘ছাওয়া’ নিয়ে অকপট এ আর রহমান
২০২৫ সালের বক্স অফিসে অন্যতম বড় সাফল্য ছিল ‘ছাওয়া’। লক্ষ্মণ উতেকর পরিচালিত এই ছবির গানগুলির সুর দিয়েছিলেন এ আর রহমান, যা মুক্তির পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ছবিটি মুক্তির এক বছর পর এবার ‘ছাওয়া’ নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন সঙ্গীতশিল্পী।
এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান বলেন, “এটা একটা বিভাজনমূলক ছবি। আমার মনে হয়, ছবিটি সেই বিভাজনের সঙ্গে জড়িত আবেগকে ব্যবহার করেছে। তবে ছবির মূল বক্তব্য ছিল সাহসিকতার গল্প বলা।” তিনি আরও জানান, ছবিটি করার আগে তিনি পরিচালক লক্ষ্মণকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন এই ছবির জন্য তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। রহমানের কথায়, “আমি ওঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এই ছবির জন্য আমাকেই কেন দরকার? উনি বলেছিলেন, এই ছবির জন্য শুধু আমিই উপযুক্ত।”
সাক্ষাৎকারে রহমান আরও বলেন, “ছবিটি উপভোগ্য, কিন্তু দর্শক এখন অনেক বেশি সচেতন। মানুষ কি সত্যিই সিনেমা দেখে প্রভাবিত হয়ে যায়? মানুষের মধ্যে একটা নিজস্ব বিবেক থাকে, যা বুঝে নিতে পারে কোথায় সত্য আর কোথায় প্ররোচনা।”
কটাক্ষের জবাব দিলেন সানা
প্রাক্তন বলিউড অভিনেত্রী সানা খানকে ঘিরে নানা জল্পনা ছড়িয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, স্বামীর প্রভাবে কি তিনি অভিনয় জগত ছেড়েছেন? সেই সব দাবিকে সরাসরি খারিজ করলেন সানা নিজেই। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, তাঁকে কেউ ‘ব্রেনওয়াশ’ করেননি। বলিউড ছেড়ে আধ্যাত্মিক জীবনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ তাঁর নিজের।
সানার কথায়, “কেউ কাউকে জোর করে বা সম্মতি ছাড়া ব্রেনওয়াশ করতে পারে না। আমি যা করেছি, নিজের ইচ্ছাতেই করেছি।” স্বামী মুফতি আনাস সায়েদ তাঁকে কখনও অভিনয় ছাড়তে বাধ্য করেননি বলেও জোর দিয়ে জানান তিনি।
‘বিগ বস ৬’-এ অংশগ্রহণ এবং ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা ’র মতো ছবির মাধ্যমে সানা পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। ২০২০ সালে কেরিয়ারের একেবারে মধ্যগগনে থাকতেই আচমকা অভিনয় জগত ছাড়ার ঘোষণা করে অনুরাগীদের চমকে দেন তিনি। সানা তখন জানিয়েছিলেন, শান্তি, আধ্যাত্মিকতা এবং মানবসেবার পথেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ দেখতে চান। সেই সিদ্ধান্তের কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বিয়ে করেন ব্যবসায়ী ও ধর্মগুরু মুফতি আনাস সায়েদকে। সানা বারবার বলেছেন, স্বামী তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন ঠিকই, কিন্তু কখনও চাপ দেননি।
