সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। খ্যাতনামীদের মধ্যে এই সুন্দির থাকার চাপ আরও বেশি৷ যদিও ইদানীং অনন্যা পান্ডে নিত্যনতুন বিউটি ট্রেন্ড অনুসরণ করার বদলে স্বাভাবিক চেহারাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন৷ সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, অনলাইনে ট্রেন্ডিং কী এসব আমি দেখি না, আমি আমার জন্য যেটা ভাল সেটাই করি৷ 

ফিল্টার, এডিটিং এবং নিখুঁত ছবির চাপে অনেকেই নিজের স্বাভাবিক চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করেন। কেউ কেউ মানসিক অবসাদে ভোগেন। এবার এই বিষয় নিয়েই নিজের মতামত জানালেন অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে। 

অনন্যা জানিয়েছেন, তিনিও অতীতে বিউটি ফিল্টার ব্যবহার করেছেন। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি বুঝেছেন, সাময়িকভাবে নিজেকে অন্যরকম দেখানোর চেয়ে নিজের আসল রূপকে গ্রহণ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, সৌন্দর্য মানে শুধু নিখুঁত ছবি নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ও নিজের প্রতি ভালবাসা। 

অভিনেত্রীর কথায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা প্রতিটি ছবি বাস্তব জীবনের সম্পূর্ণ প্রতিচ্ছবি নয়। অনেক সময় ফিল্টার ও এডিটিং মানুষের মধ্যে অবাস্তব সৌন্দর্যের ধারণা তৈরি করে। তাই নিজের স্বাভাবিক চেহারাকে সম্মান করা জরুরি। 

সিনেমা নিয়েও অনন্যা মনে করেন, পর্দায় দেখানো সৌন্দর্য এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন। তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন, চলচ্চিত্র অনেক সময় এমন এক ধারণা তৈরি করে যেখানে সবাইকে সবসময় নিখুঁত দেখানো হয়, যা বাস্তব নয়। 

অনন্যার এই বক্তব্য নতুন প্রজন্মের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। নিজেকে অন্য কারও মতো করে তোলার চেষ্টা নয়, বরং নিজের পরিচয় ও স্বাভাবিকতাকে গ্রহণ করাই সবচেয়ে জরুরি৷  

আজকের দিনে যখন ডিজিটাল দুনিয়ায় সৌন্দর্য প্রকাশের চাপ ক্রমশ বাড়ছে, তখন অনন্যার এই মন্তব্য আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তবতার গুরুত্বকে প্রকাশ করে৷ বলিউডের তারকার নিজের চেহারা এবং সৌন্দর্য সম্পর্কে চাপমুক্ত বাস্তব ধারণা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা৷ 

অনন্যা পাণ্ডে কেশরী চ্যাপ্টার ২ এবং চান্দ মেরা দিল এর জন্য প্রশংসিত হয়েছেন৷ বক্স অফিসে বিশাল সফল না হলেও অনন্যা কাজ করছেন৷ প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা এলেই অনন্যা ছবি দেখতে চলে যান বলেও জানিয়েছেন৷ নতুন প্রজন্মকে তিনি সিনেমা দেখার জন্য অনুরোধও করেছেন৷