'এল নিনো'-র প্রভাবে আবহাওয়ার তারতম্য টের পাচ্ছে বাংলা তথা ভারতবর্ষ। একদিকে উত্তরবঙ্গে যখন বৃষ্টিতে ভাসছে, তখন অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে দেখা যাচ্ছে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। তাই গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না কলকাতা-সহ দক্ষিণের জেলার মানুষদের। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় ধুঁকছে মানুষ। একটু নড়াচড়া করলেই ঘামে নাজেহাল হতে হচ্ছে।
2
7
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সপ্তাহের শুরুতে এই পরিস্থিতি খানিক বদলাতে পারে। গরম থেকে স্বস্তি পেতে পারেন শহরবাসী। পূর্বাভাসে উত্তর ও দক্ষিণের জেলাগুলির জন্য রয়েছে সতকর্তা।
3
7
জানা গিয়েছে, আজ, ২৯ জুন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ হতে পারে ২০ সেন্টিমিটারের বেশি। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি।
4
7
আগামীকাল অর্থাৎ ৩০ জুনও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পূর্বাভাস, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে হতে পারে ভারী বৃষ্টি।
5
7
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে বজ্রপাতের সঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।
6
7
আবহাওয়া দপ্তরের তরফে উপরোক্ত জেলাগুলির জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। বৃষ্টির সঙ্গে জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।
7
7
এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বেশ কিছু স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বইতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া।