আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...

শুটিং সেটে পড়ে গেলেন অক্ষয়

বলিউডের ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমার মানেই পর্দায় দাপুটে স্টান্ট আর ফিটনেসের জাদু। কিন্তু সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ভক্তদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। প্রিয় অভিনেতাকে শুটিং সেটে পড়ে যেতে দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। প্রিয়দর্শন পরিচালিত অক্ষয়ের আগামী সিনেমা ‘ভূত বাংলা’র শ্যুটিং চলাকালীন এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। কী ঘটেছিল শুটিং সেটে? ভাইরাল ভিডিও দেখা যাচ্ছে, অক্ষয় একটি দৃশ্য শুট করার জন্য দৌড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি সামনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। পাশেই থাকা ক্রু মেম্বাররা সঙ্গে তাঁর দিকে ছুটে যান এবং তাঁকে উঠতে সাহায্য করেন। অক্ষয়ের মতো একজন দক্ষ স্টান্টবাজ অভিনেতার এমনভাবে পড়ে যাওয়া দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

প্রথমবার জুবিনকে ছাড়া ভোট দিলেন গরিমা

প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গের স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গর্গ সম্প্রতি ভোট দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। অসম বিধানসভা নির্বাচনের আবহে প্রতিবারই জুবিন এবং গরিমাকে একসঙ্গে ভোটকেন্দ্রে দেখা যায়, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। গরিমা সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁদের বিয়ের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে তাঁরা নিয়ম করে একসঙ্গে ভোট দিতে যেতেন। জুবিন সবসময়ই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের বিষয়ে খুবই সচেতন ছিলেন। কিন্তু গত বছর ২৫ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন গায়ক। ভোট দিতে গিয়ে গরিমাকে পুরনো স্মৃতি ঘিরে ধরে। 


লেবাননে ইজরায়েলি হানা দেখে মন ভারাক্রান্ত লিসা রায়ের

শোকস্তব্ধ প্রখ্যাত মডেল তথা অভিনেত্রী লিসা রায় ইজরায়েলি বিমান হামলায় লিসার 'দ্বিতীয় বাড়ি' হিসেবে পরিচিত লেবানন বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিনি সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি খুবই মর্মাহত বলে জানিয়েছেন। লিসার জীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে লেবাননে। তিনি এটিকে তাঁর 'দত্তক নেওয়া দ্বিতীয় বাড়ি' হিসেবে গণ্য করেন। গত কয়েক দিনে সে দেশে ক্রমাগত ইজরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ, ভিটেমাটি হারিয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। বৈরুত সহ বিভিন্ন এলাকা যেভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তা লিসার মন ভেঙে দিয়েছে। আবেগঘন পোস্টে লিসা লেখেন, লেবাননের এই অবস্থা দেখে তিনি বাকরুদ্ধ। যে দেশ তাঁকে ভালবাসা দিয়েছে, সুন্দর স্মৃতি উপহার দিয়েছে, আজ সেখানকার মানুষ এবং সংস্কৃতিকে বিপন্ন হতে দেখে নিজেকে স্থির রাখতে পারছেন না। তিনি কেবল নিজের শোক প্রকাশ করেননি, একইসঙ্গে লেবাননের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং শান্তি কামনায় প্রার্থনাও জানিয়েছেন।