দেখতে দেখতে ছ'মাসে পা দিল অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায়ের মেয়ে মীরা। সাধ করে মেয়ের রেখেছেন 'মীরা'। আসলে শাশুড়িমার নামে মেয়ের নামকরণ করেছেন অভিনেত্রী। মেয়ের জন্মের পর দীপঙ্কর জানিয়েছিলেন, তাঁর মনে হয়েছে তাঁদের সন্তান রূপে তাঁর মা-ই ফিরে এসেছেন। তাই মেয়ের নামও মায়ের নামেই রেখেছেন অহনা-দীপঙ্কর।একরত্তি মেয়ে মীরাকে নিয়ে নানা ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাগ করতে দেখা যায় অহনাকে। কখনও মেয়ের সঙ্গে তিনি খেলছেন, কখনও আবার নতুন মা হিসেবে নতুন কিছু উপলব্ধি করার কথাও অবলীলায় ভাগ করে নেন অহনা। 

মেয়েকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে নানা ভিডিও ভাগ করেন অহনা। কখনও একরত্তির দুষ্টুমি, কখনও তার খাওয়ার রুটিন, কখনও আবার মেয়ের সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্তদের সমাজমাধ্যমে তুলে ধরেন তিনি। ছোট্ট মীরার মুখেভাতের কথাও জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মেয়ের মুখেভাতের জন্য কেনাকাটার ঝলকও ভাগ করেছিলেন অহনা। রবিবার ঠাকুরের পায়েস খেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করল একরত্তি মীরা।

মেয়ের মুখেভাতের আয়োজন নিয়ে আজকাল ডট ইন-কে অহনা দত্ত বলেন, "মীরার দাদুই ওক প্রথম ভাত খাওয়াবে। কৃষ্ণ পুজোর মাধ্যমে আমাদের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এরপর নিরামিষ ভোজন হবে।" অহনা জানান, মেয়ের জন্য নিজের হাতে সমস্ত আয়োজন করেছেন তিনি। বাঙালিদের মুখেভাতের নিয়ম অনুযায়ী একটা ডালিতে বই, পেন, টাকা, মাটি রাখা হয়। আর ছোটরা সেই ডালি থেকে কিছু একটা তুলে নেয় বা হাত ছুঁয়ে দেয়। রীতি অনুযায়ী যেটা ছুঁয়ে দেবে সেই শিশু, ভবিষ্যতে নাকি সেইদিকেই এগিয়ে যাবে সে। অহনার বাড়িতেও এই নিয়মের আয়োজন করা হয়েছে। মা হিসেবে অহনা কি চান, মেয়ে কোন জিনিসটা আজ ডালি থেকে ধরবে? 

অহনার কথায়, "সেটা এখন কি করে বলি! আমি তো চাই মীরা যেটাই তুলুক না কেন ও যেন খুশি থাকে। ব্যাস, আজকের দিনে এর থেকে বড় চাওয়া আমার আর কিছুই নেই।"

প্রসঙ্গত, মেয়ে একটু বড় হতেই আবারও কাজে ফিরেছেন অহনা। এই মুহূর্তে দর্শক তাঁকে দেখছেন জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'তে। এই ধারাবাহিকে অহনার চরিত্রের নাম 'কুন্তলিনী'। ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রটি একবাক্যে ইতিবাচক বা নেতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করা যাবে না। তাঁর চরিত্রটি ধূসর প্রকৃতির। তবে গল্পের মোড়ে কোন দিকে এগোবে অহনার চরিত্রটি তা জানার জন্য অপেক্ষায় থাকেন তাঁর অনুরাগীরা।