ভালবাসা শত যুদ্ধেও যায় না জেতা, কিন্তু যদি দুটি মন চায় সেই পাহড়প্রমাণ বাধাও তুচ্ছ হয়ে যায় এক লহমায়৷ এমনই এক ভালবাসার গল্প শোনালেন পরিচালক প্রিয়দর্শন৷ ১০ বছর আলাদা থাকার পর, পরিচালক প্রিয়দর্শন এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী লিসি লক্ষ্মী আবার একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়৷ এক দশক পরে এখন তাঁরা আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছেন।একটি সাক্ষাৎকারে প্রিয়দর্শন জানিয়েছেন, তাঁরা আবার বিয়ে করার কোনও পরিকল্পনা করছেন না। তিনি বলেন, “বিয়ের সার্টিফিকেট ছাড়া আমরা একইভাবে একসঙ্গে জীবন কাটাচ্ছি।”
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, মেগাস্টার মাম্মুটি তাঁদের পুনর্মিলনে খুশি হয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। সম্প্রতি তিনি চেন্নাইয়ে লিসির স্টুডিও লে ম্যাজিক ল্যান্টার্ন (Le Magic Lantern)এ গিয়েছিলেন। পরিচালক মাহেশ নারায়ণের আসন্ন ছবি প্যাট্রিয়টের কাজ করতে গিয়েছিলেন৷
সূত্রের খবর, অভিনেত্রী কল্যানী প্রিয়দর্শন এবং সিদ্ধার্থ—এই পুনর্মিলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। অনেকদিন আগেই তাঁরা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে৷ “এই সিদ্ধান্ত ৬ থেকে ৮ মাস আগে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা আবার বিয়ে করবেন না। তাঁদের কাছে বিয়ে একটা কাগজমাত্র৷ বন্ধুত্ব, সঙ্গ এবং ভালোবাসাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ”।
প্রিয়দর্শন ও লিসি ১৯৯০ সালে বিয়ে করেছিলেন। ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০১৪ সালে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন, যা ২০১৬ সালে চূড়ান্ত হয়। একটি বিবৃতিতে লিসি তাঁদের বিবাহিত জীবন এবং বিবাহবিচ্ছেদ দুই ঘটনাকেই ‘অস্থির’ বলে বর্ণনা করেছেন৷ তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে হৃতিক রোশন ও সুজান এবং আরও অনেক তারকাদম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ পারস্পরিক সম্মতিতে হয়েছে। বিচ্ছেদ নিশ্চয়ই যন্ত্রণার কিন্তু তাঁরা একে অপরকে সম্মান করেছেন।
লিসি আরও বলেন, “আমাদের ক্ষেত্রে আদালতের ভিতরে-বাইরে বারবার তীব্র ও অশান্ত লড়াই হয়েছে, শেষ পর্যন্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে আসি। আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের সেই তিক্ততাই আমাদের সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে। তবে এখন আমি স্বস্তি পাচ্ছি।” অন্যদিকে, প্রিয়দর্শন ইগোকেই সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
