সংবাদ সংস্থা, মুম্বই: মঙ্গলবারের সকাল বিনোদন দুনিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এদিন ৬৯তম জাতীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হল বিজয়ীদের হাতে। দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে সাজসাজ রব। সকাল থেকে সেখানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে নানা ভাষার তারকারা উপস্থিত। নির্দিষ্ট সময়ে মঞ্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর-সহ জুরিরা উপস্থিত। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার জন্য। সকাল সকাল রাষ্ট্রপতি ভবনে দেখা মিলেছে এসএস রাজামৌলি, অল্লু অর্জুন, আলিয়া ভাট, মাধবন, কৃতি শ্যানন, বিবেক অগ্নিহোত্রী, পল্লবী যোশি, রামকমল মুখোপাধ্যায়-সহ সমস্ত পুরস্কারপ্রাপকদের। প্রত্যেকে আনন্দে ঝলমলিয়ে উঠেছেন।
যতই অস্কার পান, নিজের দেশ ভাল না বাসলে ভাল লাগে? এই অনুযোগ মনের গভীরে লুকিয়ে রেখেছিলেন এসএস রাজামৌলি। অবশেষে সেই ক্ষোভও মুছে গেল। মঙ্গলবার দিল্লিতে জাতীয় পুরস্কার নিতে গিয়ে সেকথা অকপটে জানালেন ‘আরআরআর’ পরিচালক। তাঁর কথায়, ‘‘অস্কার বাড়তি পাওনা। আমি তার জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু নিজের দেশ স্বীকৃতি না দিলে কেমন যেন অসম্পূর্ণ মনে হয়। সেটাই এতদিন ধরে মনে হচ্ছিল। ঈশ্বরকে অসংখ্য ধন্যবাদ, সেই ফাঁক ভরাট করে দিলেন।’’ শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর তিনি। একই সঙ্গে নম্রও। জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে ওঠার আগে পরিচালক স্মরণ করলেন ছবিমুক্তির দিন। তার আগের রাত তিনি জেগে কাটিয়েছিলেন। সঙ্গে একবুক ভয় আর দুশ্চিন্তা। ভাবতেও পারেননি, সেই ছবি এভাবে নতুন ইতিহাস লিখবে।
‘গঙ্গুবাঈ কাঁথিয়াওয়াড়ি’ যেন পঙ্কে পদ্ম। নিষিদ্ধ এলাকার নারী হয়েও তার গাঁয়ে দুধসাদা পোশাক। জাতীয় পুরস্কার আনার দিন সেই রংকেই আপন করে নিলেন আলিয়া ভাট। সাদা শাড়ি, ব্লাউজ। খোঁপায় গোলাপ। সঙ্গে মানানসই গয়না। সব মিলিয়ে সনাতনী সাজ। সদ্য ফোটা পদ্মের মতোই নিষ্পাপ দেখিয়েছে তাঁকে। মঞ্চে ওঠার আগে প্রথম জাতীয় পুরস্কারজয়ীর দাবি, ‘‘চরিত্র ফুটিয়ে তোলা প্রচণ্ড শক্ত ছিল। বিশেষ করে বিশেষ উচ্চারণে সংলাপ বলা। সবটাই সম্ভব হয়েছে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির জন্য। আজ সঞ্জয় আসতে পারেননি। ওঁকে খুব মিস করছি।’’ এও জানান, তাঁকে আরও মাটির কাছাকাছি থাকতে হবে। তিনি ভাগ্যবান, পরিবারের প্রত্যেকে বিনোদন দুনিয়ার স্তম্ভ। পাশাপাশি, বলিউড তাঁকে সেরা পরিচালকদের সঙ্গে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে। যার ফলে, তিনি অসংখ্য অনুরাগীদের ভালবাসা, প্রশংসা পেয়েছেন।
আবিয়ার সঙ্গে জাতীয় পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছেন কৃতি শ্যানন। তাঁর মিমি ছবির জন্য। ছবির পরিচালকের পাশাপাশি তিনি কৃতিত্বের সিংহভাগ দিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে। যাঁর সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু এই ছবির কাজ যেন বাকিদের ছাপিয়ে গিয়েছে।
‘কাশ্মীর ফাইলস’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার নিতে এসে পরের ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন বিবেক। জানালেন, তাঁর পরের ছবি ‘দিল্লি ফাইলস’। সেখানে দিল্লিতে স্বাধীনতার আগে এবং পরে উদ্বাস্তুদের সঙ্গে কী ঘটেছিল সেই গল্প থাকবে।
যতই অস্কার পান, নিজের দেশ ভাল না বাসলে ভাল লাগে? এই অনুযোগ মনের গভীরে লুকিয়ে রেখেছিলেন এসএস রাজামৌলি। অবশেষে সেই ক্ষোভও মুছে গেল। মঙ্গলবার দিল্লিতে জাতীয় পুরস্কার নিতে গিয়ে সেকথা অকপটে জানালেন ‘আরআরআর’ পরিচালক। তাঁর কথায়, ‘‘অস্কার বাড়তি পাওনা। আমি তার জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু নিজের দেশ স্বীকৃতি না দিলে কেমন যেন অসম্পূর্ণ মনে হয়। সেটাই এতদিন ধরে মনে হচ্ছিল। ঈশ্বরকে অসংখ্য ধন্যবাদ, সেই ফাঁক ভরাট করে দিলেন।’’ শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর তিনি। একই সঙ্গে নম্রও। জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে ওঠার আগে পরিচালক স্মরণ করলেন ছবিমুক্তির দিন। তার আগের রাত তিনি জেগে কাটিয়েছিলেন। সঙ্গে একবুক ভয় আর দুশ্চিন্তা। ভাবতেও পারেননি, সেই ছবি এভাবে নতুন ইতিহাস লিখবে।
‘গঙ্গুবাঈ কাঁথিয়াওয়াড়ি’ যেন পঙ্কে পদ্ম। নিষিদ্ধ এলাকার নারী হয়েও তার গাঁয়ে দুধসাদা পোশাক। জাতীয় পুরস্কার আনার দিন সেই রংকেই আপন করে নিলেন আলিয়া ভাট। সাদা শাড়ি, ব্লাউজ। খোঁপায় গোলাপ। সঙ্গে মানানসই গয়না। সব মিলিয়ে সনাতনী সাজ। সদ্য ফোটা পদ্মের মতোই নিষ্পাপ দেখিয়েছে তাঁকে। মঞ্চে ওঠার আগে প্রথম জাতীয় পুরস্কারজয়ীর দাবি, ‘‘চরিত্র ফুটিয়ে তোলা প্রচণ্ড শক্ত ছিল। বিশেষ করে বিশেষ উচ্চারণে সংলাপ বলা। সবটাই সম্ভব হয়েছে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির জন্য। আজ সঞ্জয় আসতে পারেননি। ওঁকে খুব মিস করছি।’’ এও জানান, তাঁকে আরও মাটির কাছাকাছি থাকতে হবে। তিনি ভাগ্যবান, পরিবারের প্রত্যেকে বিনোদন দুনিয়ার স্তম্ভ। পাশাপাশি, বলিউড তাঁকে সেরা পরিচালকদের সঙ্গে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে। যার ফলে, তিনি অসংখ্য অনুরাগীদের ভালবাসা, প্রশংসা পেয়েছেন।
আবিয়ার সঙ্গে জাতীয় পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছেন কৃতি শ্যানন। তাঁর মিমি ছবির জন্য। ছবির পরিচালকের পাশাপাশি তিনি কৃতিত্বের সিংহভাগ দিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে। যাঁর সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু এই ছবির কাজ যেন বাকিদের ছাপিয়ে গিয়েছে।
‘কাশ্মীর ফাইলস’-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার নিতে এসে পরের ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন বিবেক। জানালেন, তাঁর পরের ছবি ‘দিল্লি ফাইলস’। সেখানে দিল্লিতে স্বাধীনতার আগে এবং পরে উদ্বাস্তুদের সঙ্গে কী ঘটেছিল সেই গল্প থাকবে।
















